প্রতীকী ছবি

পাটনা: ফের আততায়ীর গুলির নিশানা হলেন দুই আরজেডি নেতা৷ মুজাফ্ফরপুরের ক্রান্তি এলাকায় স্থানীয় দুই আরজেডি নেতাকে গুলি করে বন্দুকবাজেরা৷ আহত ওই দুই নেতাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে৷ তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে৷

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে৷ আহত ওই দুই নেতার নাম সুরেন্দ্র যৌদব এবং উমাশঙ্কর প্রসাদ৷ সুরেন্দ্র টার্গেট করে যেখানে ২ বার গুলি করা হয়েছে, সেখানে উমাশঙ্করকে ৪ বার গুলি করা হয়েছে৷ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ৷

এর আগে ৪ জুন, মঙ্গলবার এভাবেই ভরসন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে নিমতায় তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করা হয়৷ প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা মতো, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিমতার ঠাকুরতলায় নিজের পাড়ার মুখে দাঁড়িয়েছিলেন দমদম উত্তর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি নির্মল কুণ্ডু৷ সেই সময়ই খুব জোড়ে বাইক চালিয়ে দুষ্কৃতীরা এলাকা থেকে পার হচ্ছিল৷ হঠাই চলন্ত বাইক থেকে গুলি মারা হয় নির্মল কুণ্ডুকে নিশানা করে৷ খুব কাছ থেকেই তাঁকে টার্গেট করে চলে গুলি। তাঁর বুকে গুলি লাগে৷

গুলিবিদ্ধ নির্মল কুণ্ডুকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় কামারহাটির বেসরকারি হাসপাতালে৷ সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ এই ঘটনার পর থেকেই চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে নিমতা এলাকায়৷ এই খুনের ঘটনার কিনারায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী৷

সূত্রের খবর, এদিন ভোরে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয় দাসকে৷ দুষ্কৃতীরা যে বাইকে করে এসে গুলি ছুঁড়েছিল তা চালাচ্ছিল সঞ্জয়ই৷ তার সঙ্গে অপর দুই ধৃতের পরিচয় কিভাবে? তাদের কারা এই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিল সেই সংক্রান্ত বিষয়ই জিজ্ঞাসাবাদ করে সঞ্জয়ের থেকে জানতে চাইবে তদন্তকারীরা৷

উল্লেখ্য, তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় বিজেপি কর্মীসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম সুমন কুণ্ডু ও উত্তম মণ্ডল৷ ব্যারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ সূত্রে খবর,, ধৃতরা যে খুনের সঙ্গে জড়িত তা স্বীকার করে নিয়েছে। এমনকি এই ঘটনার পিছনে পোক্ত কোনও হাত কাজ করেছে তাও কার্যত দুই অভিযুক্ত স্বীকার করে নিয়েছে৷ সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করনের কাজও করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি৷