পাটনা: এতদিন যা হয়নি, এবার তাই হতে চলেছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। দু’জন উপমুখ্যমন্ত্রী দুপাশ থেকে প্রতি মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কাজ কড়াভাবেই পর্যালোচনা করবেন।

পাটনার রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, রগচটা নীতীশ বেশিদিন এই অবস্থায় থাকবেন না। সে ক্ষেত্রে তিনি নিজেই সরকার থেকে সরে আসতে পারেন। আচমকা কুর্সি ত্যাগের নজির তাঁর নামের সঙ্গে আগেই জড়িয়ে আছে।

বিরোধী মহাজোটের প্রধান দল আরজেডি মনে করছে, বিজেপির ঘেরাটোপে নীতীশকে সরকার চালাতে হবে। পরিস্থিতি এমন যে বিধানসভার অধ্যক্ষ পদটিও জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) পায়নি। এই পদটিও এনডিএ বড় শরিক বিজেপির দখলে চলে গিয়েছে। ২৪০টি আসনের বিধানসভা নির্বাচনে কানঘেঁষে ১২৬টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েছে এনডিএ।

৭৪টি আসন পেয়ে জোটের বৃহত্তম দল হলেও বিজেপি পূর্ব ঘোষণা অনুসারে কম আসন পাওয়া জেডিইউ কে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়েছে। নীতীশ কুমার দল জেডিইউ পেয়েছে ৪৩টি আসন। গত এনডিএ সরকারে বিহারে ছিলেন একজন উপমুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির সুশীল মোদী এই পদ সামলাতেন।

তাঁকে দল সাংগঠনিক কাজে নিযুক্ত করেছে। এর বদলে বিজেপি তারাকিশোর প্রসাদ ও রেণু দেবী দুজনকে উপমুখ্যমন্ত্রী করেছে। এই একের বদলে দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর চাপে নীতীশ কুমার নাজেহাল হতে চলেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। সপ্তমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নীতীশ কুমার। সোমবার তিনি শপথ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার বিহারে এনডিএ সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। এতে স্থির হয় বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশন সূচি। আর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ১৯৭১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার বিষয়টি সরকারকে তাড়া করতে শুরু করল মঙ্গলবার থেকেই।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিজেপির ঘেরাটোপে নীতীশ অন্যদিনেই প্রবল বিরক্তি নিয়ে সরকার ত্যাগ করতে পারেন। এই সম্ভাবনা নিয়েও বিজেপি দলীয়স্তরে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ তৈরি করে রেখেছে। তবে জেডিইউ বেরিয়ে গেলে বিহারে এনডিএ সরকারের পতন হবে সেই মুহূর্তেই।

ফলে নীতীশ কুমারকে তোয়াজে রাখারও চেষ্টা চলবে। নরেন্দ্র মোদীকে এনডিএ মুখ না মানতে পেরে ২০১৪ সালে জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। লোকসভায় বিজেপির বিপুল জয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন। মুখ্যমন্ত্রী করেন জীতনরাম মাঞ্ঝি কে।

তারপর ২০১৫ সালে আরজেডির সঙ্গে জোট করেন। বিহারে তৈরি হয় জেডিইউ-আরজেডি জোট সরকার। সেই জোট ভেঙে ফের এনডিএ শিবিরে ফিরে যান। বারবার আনপ্রেডিক্টেবল নীতীশকে নিয়ে চিন্তা থাকছেই জোটের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।