স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ির দেড়শ বছর পূর্তিতে ম্যারাথন দৌড় অনুষ্ঠিত হল৷ সোমবার পুরসভার উদ্যোগে ও জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় এই ম্যারাথন আয়োজিত হয়।

 

সকাল সাড়ে টায় জলপাইগুড়ি পুরসভার থেকে ম্যারাথন দৌড়টি অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের কোন পুরসভা এতো বড় ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করেনি বলে দাবি জলপাইগুড়ি পুরসভার। জাতীয় পর্যায়ে চলে গিয়েছে এই ম্যারাথন। মোট ১১৭৬ জন প্রতিযোগী অংশ গ্রহণ করেন এই প্রতিযোগিতায়৷

দেশের বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি অন্যান্যও দেশ থেকেও এসেছেন প্রতিযোগীরা। কেনিয়া থেকে এসেছিলেম তিন জন৷ একজন ইপোথিয়ান, নেপাল থেকে পাঁচ জন, ভুটানের বারোজন, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা সহ অন্যান্য রাজ্য থেকেও এসেছেন।

দশ কিমি এই ম্যারাথন দৌড় পুরসভা থেকে শুরু করে প্রধান ডাক ঘর, বাধ ধরে জুবলি পার্ক হয়ে জেলা শাসকের কার্যালয়ের সামনের রাস্তা দিয়ে হাসপাতাল রোড, ইন্দিরা কলোনি, শান্তি পাড়া, বেগুনটারি, কদমতলা, থানা মোড় হয়ে পুরসভার গেটে শেষ হয়। প্রথম পুরস্কার হিসেবে ১ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৭৫ হাজার টাকা ও তৃতীয় পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা সহ ট্রফি তুলে দেওয়া হয় প্রতিযোগীদের৷

প্রথম হয়েছেন শিলং-এর বাসিন্দা তীর্থ পান৷ তিনি ইন্ডিয়ান আর্মিতে কর্মরত রয়েছে। দ্বিতীয় হয়েছেন কেনিয়ার বাসিন্দা নোয়া কিপসাং। তৃতীয় নেপালের বাসিন্দা শঙ্করমান থাপা৷ তিনিও ইন্ডিয়ান আর্মিতে কর্মরত রয়েছেন। এই বছরের দৌড়ে প্রচার রাখা হয়েছে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ৷ এর পাশাপাশি রাখা হচ্ছে জলপাইগুড়ি দেড়শ বছর।

পুরসভার চেয়ারম্যান মোহন বসু বলেন, জলপাইগুড়ি পুরসভার এতো বড় ম্যারাথন রাজ্যের মানুষের নজর কেড়েছে৷ আমরা সব দিক থেকে সফল। এতো বড় ম্যারাথন আমার মনে হয় না আর কোথায় হয়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারিরা বলেন, আমরা খুবই খুশি জলপাইগুড়ি উৎসাহ দেখে। আয়োজন হিসেবে ছিলেন ডিএসএ সদস্য উজ্জ্বল দত্ত চৌধুরি৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও