প্রায় মিনিট ২০ নেতাজি ভবনে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘুরে দেখলেন নেতাজি মিউজিয়াম, শোয়ার ঘর, নেতাজি ব্যবহৃত গাড়ি।

নেতাজি ভবন থেকে রাস্তায় বেরিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী। এলগিন রোডের উপর সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে হাত নাড়লেন তিনি। বাইরে অসংখ্য মানুষের ভিড়।

জানা গিয়েছে, মাত্র ১৫ মিনিট সেখানে থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

নির্ধারিত অনুযায়ী নেতাজি ভবনের ভিতরে গেলেন না কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত এবং চন্দ্র বসু। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন রাজ্যপাল ধনকড়।

নেতাজি ভবনে পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সাধারনের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে নাড়তে ভিতরে ঢোকেন তিনি। জানা যাচ্ছে, ভবন ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী। নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত সমস্ত জায়গা ঘুরে দেখবেন তিনি।

নেতাজি ভবনে উপ্পস্থিত রয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।

ইতিমধ্যে রেস কোর্সে পৌঁছে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চপার। সেখানে মোদীকে স্বাগত জানাতে এসেছেন রাজ্যপাল ধনকড়। রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সহ আরও বেশ কয়েকজন মন্ত্রী।

মোদীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত রয়েছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও পূর্ণেন্দু বসু সহ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মোট ১৩ জন।

ইতিমধ্যে সেজে উঠেছে নেতাজি ভবন। সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন সুগত বসু, চন্দ্র বসুরা।

কলকাতা বিমানবন্দরে রানওয়ে ছুঁল মোদীর বিশেষ বিমান। সেখান থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পরে হেলিকপ্টারে করে রেস কোর্সে নামবেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরে সড়কপথে লাভার্স লেন, হসপিটাল রোড, এ জে সি বসু রোড, বেলভেডিয়ার রোড হয়ে নেতাজী ভবনে পৌঁছবে তাঁর কনভয়। সেখানে ১৫ মিনিট থাকার পর জাতীয় গ্রন্থাগারে যাবেন৷

সেখানে অনুষ্ঠান শেষে একই পথে ফিরে মোদী পৌঁছবেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি এই রুট ঠিক করেছে। এরপর রেস কোর্স থেকে শনিবার রাতে হেলিকপ্টারে বিমানবন্দরে ফিরে বিশেষ বিমানে দিল্লি ফিরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।