নয়াদিল্লি: বেশ কিছু দিন ধরেই সিবিএসই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন নিয়ে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পিতা মাতার মধ্যে একটা দাবি উঠেছিল। কারণ হিসেবে মূলত বলা হয়েছিল যে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপটে যখন প্রত্যেকদিন এক লক্ষ লোক সংক্রমিত হচ্ছে তখন পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হোক। কোভিড বৃদ্ধি কালে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবিতে নেট মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষা পিছিয়ে দেবার বা অনলাইনে পরীক্ষা নেবার দাবিতে গণ সাক্ষর কর্মসূচি পালন করে।পরীক্ষা স্থগিত করার বিষয়ে ক্রমাগত সরকারের অপর চাপ বাড়াচ্ছিল ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অবিভাবক ও শিক্ষকরা।

এই বেড়ে চলা চাপের পরিস্থিতে শেষমেশ হস্তক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিক্ষা দপ্তর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে এই বছরের মতো সিবিএসইর দশম শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করার। এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে আপাতত দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিত করার। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগামি ১ জুনের পর পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে সিবিএসই।

সিবিএসই জানায় যেহেতু দশম শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল হয়েছে তাই ফলাফল প্রকাশ করার জন্য অবজেক্টিভ ক্রাইটেরিওন নেওয়া হবে। এই বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে।

অবজেক্টিভ ক্রাইটেরিওন হল এক পদ্ধতি যেখানে সিবিএসই ছাত্রছাত্রীদের অতীতের পারফরমেন্সের মূল্যায়ন করা হবে এবং তাঁর ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা এই পদ্ধতিতে প্রকাশিত ফলাফলে সন্তুষ্ট হবেন না করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তারা লিখিত পরীক্ষা দিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল বলেছেন সিবিএসই নিজেদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অবজেক্টিভ ক্রাইটেরিওন তৈরি করবে। কিন্তু অবজেক্টিভ ক্রাইটেরিওন এর পদ্ধতি সম্পর্কে সিবিএসই এখনও পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে পূর্ববর্তী বিভিন্ন প্রোজেক্ট ও ইন্টারনাল টেস্টের ফলাফলের ভিত্তিতেই তৈরি হবে অবজেক্টিভ ক্রাইটেরিওন। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে যে খুব শীঘ্রই এই ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাবে সিবিএসই। তাই ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত সিবিএসইর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখার জন্য বলা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.