ব্যবসায় প্রথম দিন থেকেই সফল হতে চান? প্রথম দিন থেকেই হাতে আসুক নগদ, সেটাও লক্ষ্য? তবে এই প্রতিবেদন আপনার জন্য৷ যদিও সব ব্যবসায় প্রথম দিন থেকেই টাকা উপার্জন করার সংস্থান থাকে না, তবে কিছু পথ আছে, যা আপনার লক্ষ্মীলাভের মুখ দেখাবে৷

শুরু করতে পারেন আপনার নিজস্ব ব্যবসা৷ খুলে ফেলুন সিএনজি পাম্প বা ইলেকট্রিক গাড়ি চার্জ দেওয়ার পয়েন্ট৷ এই ব্যবসাগুলিতে প্রথম থেকেই আপনার হাতে আসতে থাকবে টাকা৷ ভবিষত্যে সিএনজি-র ওপর নির্ভরশীল যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে চলেছে৷ তাই আপনার ব্যবসার প্রসারও অনিবার্য৷

ভাবছেন কেন সিএনজির গাড়ির সংখ্যা বাড়বে? সমীক্ষা বলছে দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের পরিমাণ ক্রমশ ফুরোচ্ছে৷ দামও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে৷ ফলে আগামী দিনে সিএনজি নির্ভর গাড়িগুলিও যাতায়াতের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠবে৷

কীভাবে শুরু করবেন?

সহজ ভারত যোজনার আওতায় নেক্সজেন এনার্জিয়া লিমিটেড নিজেদের ডিলারশিপের জন্য আবেদন পত্র গ্রহণ করছে৷ সেই সুযোগ নিতে পারেন৷ এই সংস্থা আপনাকে সিএনজি পাম্প খোলার ক্ষেত্রে যাবতীয় সাহায্য করবে৷ এছাড়াও আপনার সামনে বিকল্প পথ থাকছে ইলেট্রিক গাড়ি চার্জ পয়েন্ট তৈরি করার৷ চাইলে সিএনজি পাম্প স্টেশনের মধ্যেই বসাতে পারেন এই চার্জিং পয়েন্ট৷

কীরকম লাভ?

শুধু কেন্দ্রীয় সরকার নয়, এই সংস্থার পক্ষ থেকেও সিএনজি স্টেশন বসানোর ক্ষেত্রে নানা ছাড়ের সুযোগ করে দিয়েছে৷ পাবেন সরকারি অনুদান৷ সিএনজি স্টেশন বসানোর পাঁচ বছর পর্যন্ত ছাড় পাবেন আয়কর দফতর থেকেও৷ এছাড়াও ব্যাঙ্ক থেকে খুব সহজেই ঋণ পেতে পারেন৷ এছাড়াও, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে নানা ধরণের পরিষেবা এই ক্ষেত্রে অফার করা হয়৷

কারা এই পাম্পিং স্টেশন বসাতে পারেন?
যে কেউ৷ যারা চান এই ব্যবসা শুরু করতে, তারা চাইলেই এই কাজ শুরু করতে পারেন৷ নেক্সজেন সংস্থায় আবেদন জমা করলেই আপনার ব্যবসা শুরু করার প্রক্রিয়া চালু করবে৷

কত বিনিয়োগ?

একটা সিএনজি পাম্প বসাতে খরচ হতে পারে ২.৯৯ কোটি টাকা৷ সেক্ষেত্রে খুব সহজেই আপনি ব্যাংক থেকে লোন পেয়ে যাবেন৷ তবে এই টাকার মধ্যেই লাইসেন্সের খরচ ধরা নেই৷ অন্যদিকে ইলেকট্রিক গাড়ি চার্জিং পয়েন্ট বসাতে গেলে খরচ পড়বে ২৫ লক্ষ টাকা৷ এর মধ্যেই পড়ছে লাইসেন্স ও মেশিনের খরচ৷

কীভাবে আবেদন?

আবেদন করতে পারেন NEXGEN ENERGIA মোবাইল অ্যাপ দিয়ে৷ এছাড়াও প্রোফাইল তৈরি করে মেল করতে পারেন আপনার আবেদন৷ business@nexgenenergia.com বা businessnge@gmail এই মেইল আইডিতে৷
এছাড়াও মিসড কল দিতে পারেন 741950212৩- এই নম্বরে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।