কলকাতা : যা গরম পড়েছে তাতে তো হাঁসফাঁস করতেই হচ্ছে সকলকে ৷ এই সময় এসি না পাওয়া না গেলেও নিদেন পক্ষে যদি একটু ফ্যানের হাওয়া পাওয়া যায় সেটাই তখন অন্তত কিছুটা স্বস্তি দেয় ৷ সেই রকম স্বস্তি দিতে হাওড়া স্টেশনে রয়েছে এক বিশাল পাখা যার থেকে হয় বিপুল হওয়া ৷

প্রতিদিন বহু মানুষকে যাতায়াতের জন্য আসতে হয় হাওড়া স্টেশনে ,তাদের মধ্যে ট্রেনের জন্য বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষাও করতে হয় কাউকে কাউকে ৷ স্টেশনের এই বিরল সিলিং পাখাটি কিছুটা স্বস্তি দেয় যাত্রীদের৷ সেই সব কথা তুলে ধরা হয়েছে Eastern Railway Headquarter এর ফেসবুক পাতায়৷

ওই ফেসবুকে পোস্টে বলা হয়েছে – ‘‘প্রায় একটি ছোটোখাটো মাঠের আয়তনের সমান হাওয়া দিতে পারে এই সিলিং ফ্যান টি। বসানো হয়েছে হাওড়া স্টেশনে। যাত্রীরা এখানে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করেন। যেখানে সাধারণ পাখার নীচে দাঁড়ালে মাত্র কয়েকজনই হাওয়া পান সেখানে এই পাখাটি অনায়াসে ১৭ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে হাওয়া দিতে সক্ষম।’’

ওই পোস্টে আরও জানান হয়েছে – ‘‘এই সিলিং ফ্যানটির অ্যানোডাইজ করা অ্যালুমিনিয়াম ব্লেডগুলির এক একটির দৈর্ঘ্য ২৪ ফুট। ৭৩.৫ কেজি ওজন নিয়ে মিনিটে ৬৩ বার ঘুরতে সক্ষম।’’

ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে,‘‘ বিদ্যুৎ অপচয় রোধে এই পাখাটি একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যেতে পারে। বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরী এই পাখায় শব্দ অনেক কম এবং রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় নেই বললেই চলে। কিন্তু পাখাটি অনেকগুলি পাখার পরিবর্ত হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় বৈদ্যুতিক ব্যয় বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। এই দৈত্যাকার পাখাটি পূর্ব রেলের তরফে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের অন্যতম একটি উদ্যোগ ৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।