নয়াদিল্লি: করোনায় আরও একজন শিকার ভারতে৷ হিমাচল প্রদেশে এক ৬০ বছরের বেশি এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর এই মাত্র পাওয়া গিয়েছে৷ ফলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১০৷

রবিবার করোনায় মৃতের সংখ্যা ছিল ৭৷ কিন্তু সোমবার সকালে মুম্বইয়ে এক ফিলিপিন্সের এক পর্যটকের মৃত্যু হয়৷ তারপর বিকেলে মৃত্যু হয় কলকাতায় ৫৭ বছর বয়সি দমদমের এক ব্যক্তির৷ পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তে এটাই প্রথম মৃত্যু৷ তারপর রাতে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল হিমাচল প্রদেশের এক ব্যক্তির৷ ফলে দেশে করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর সংখ্যা ডাবল ডিজিটে পৌঁছে গেল৷

রবিবারই দেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল৷ তার আগে করোনা আক্রান্তের দেশের মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৷ কিন্তু জনতা কার্ফু’র দিলেন এই মারণ ভাইরাসের বলি হন চারজন৷ আর সোমবার এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে৷ এদিন প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যয় মুম্বইয়ে৷ হাসপাতালে ভর্তি থাকা ফিলিপিন্সের এক যাটোর্ধ্ব এক পর্যটকের৷ তারপর বিকেলে কলকাতায় প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়৷

গত ১৬ই মার্চ শ্বাসকষ্ট নিয়ে আমরি হাসপাতালে ভর্তি হন দমদমের এই বাসিন্দা এরপর গত ১৯ মার্চ থেকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে৷ গত কয়েকদিন প্রবল শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল ওই প্রৌঢ়ের৷ রাখা হয় ভেল্টিলেশনে৷ কিন্তু শেষমেষ সোমবার দুপুরে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর৷

এই ব্যক্তি গত কয়েকদিন আগে বিলাসপুর থেকে রাজ্যে ফেরেন৷ বাড়িতে ফেরার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি৷ আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেসে কলকাতায় ফেরেন তিনি৷ প্রবল শ্বাসকষ্ট হওয়ায় সল্টলেকের আমরি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়৷ ওই ব্যক্তির পরিবারের আরও তিন সদস্য এমআরবাঙ্গুর হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন৷ তাদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে৷ সল্টলেক আমরি হাসপাতালের তরফে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে জানানো হয়েছে৷

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে না৷ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যক্তির দেহ ডিস্পোজাল করা হবে৷ ইতিমধ্যেই মৃত ব্যক্তির সংস্পর্শে আগে যারা এসেছিলেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেওয়ার কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য দফতর৷ মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা তো বটেই, রাজ্যে ফেরার পর আর যাদের সঙ্গে ওই ব্যক্তির সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের ব্যাপারেও বিস্তারিতভাবে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্যদফতর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।