নয়াদিল্লি: করোনা সংকটের জন্য লকডাউনের মধ্যেও গত বছর খাদির কাজকর্মে তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি। সেক্ষেত্রে ভারতীয় রেল অনেকটাই সহায়তা করেছে খাদিকে। রেল ৪৮.৯০ কোটি টাকার বরাত দিয়েছে খাদিকে। তার মধ্যে শুধু ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসেই রেল ৮.৪৮ কোটি টাকার জিনিস কিনেছে খাদি থেকে। যার ফলে খাদির কারিগরদের কাজ এবং আয় হয়েছে।

ভারতীয় রেলের কেনার বরাতের জন্য সরাসরি উপকৃত হয়েছে দেশের ৮২টি খাদি প্রতিষ্ঠানের কারিগররা। এরা কাপড় তোয়ালে বেডশীট পতাকা ইত্যাদি তৈরি করেন। ২০২০ মে মাস থেকে ২০২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় রেল ৪৮.৯০ কোটি টাকার মাল কিনেছে খাদি থেকে।

এরমধ্যে দেখা গিয়েছে মে জুন মাসে যখন লকডাউনের জেরে সব রকম কার্যকলাপ প্রায় বন্ধ সেই সময় রেল ১৯.৮০ কোটি টাকার মাল কিনেছে খাদি থেকে। এরপর জুলাই এবং অগস্ট মাসে রেল খাদি থেকে ৭.৪২ কোটি টাকার জিনিস কেনে। আর অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে‌ ১৩.১ কোটি টাকা খাদির জিনিস কেনা হয়েছিল রেলের।

কে ভি আই সি চেয়ারম্যান বিনয় কুমার সাক্সেনা রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ধন্যবাদ দিয়েছেন এই কঠিন সময় খাদির কারিগরদের পাশে থাকার জন্য। সরাসরি খাদির জিনিস কেনার পাশাপাশি রেল নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে খাদির কারিগরদের উপকার হয়।

এইরকম একটি উদ্যোগের ফলে রেল তার ৪০০ টি স্টেশনে শুধুমাত্র ‌ মাটির‌ পাত্রে খাদ্য ও পানীয় দেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের। এর ফলে কেভিআইসি অধীনে থাকা কুমোর সশক্তিকরণ যোজনায় উজ্জীবিত হবে। এছাড়া রেল মন্ত্রক আরও ১০০টি প্লাস্টিক ফ্রী স্টেশন করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।