শ্রীনগর: ভারতীয় সেনার বড়সড় সাফল্য। এনকাউন্টারে খতম করা হল আরও এক হিজবুল মুজাহিদীন জঙ্গিকে। রবিবারের এনকাউন্টারে খতম হওয়া তিন জঙ্গির মধ্যে ছিল বুরহান ওয়ানির উত্তরসূরী ওয়াসিন ইটু ওরফে গাজনাভি। কাশ্মীরের সোপিয়ানে এনকাউন্টার চলাকালীন তার মৃত্যু হয়। কাশ্মীরের আইজিপি মুনীর খান ইয়াসিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জাকির মুসাকে হিজবুল থেকে বহিষ্কার করার পর তার দায়িত্ব সামলাচ্ছিল এই ইয়াসিন।

২০১৬-তে এনকাউন্টারে হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছিল জাকির মুসা। আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত হতে চাওয়ায় মুসাকে বহিষ্কার করে হিজবুল প্রধান সৈয়দ সালাউদ্দিন। এরপর সবজার ভাট হিজবুলের দায়িত্বে ছিল। তাকেও খতম করে সেনাবাহিনী। এরপর কমান্ডারের দায়িত্ব দেওয়া ইয়াসিনকে।

শনিবার রাত থেকে সোপিয়ানের অবনীরা গ্রামে চলছিল এনকাউন্টার। সেই গুলির লড়াইতে দুই জওয়ানও শহিদ হন। এরপর রবিবার সকালে খতম করা হয় ইয়াসিনকে। জঙ্গিরা ওই গ্রামে জড় হয়েছে, খবর পেয়েই আক্রমণ করে সেনা। কয়েকজন পালিয়ে যায়। একটি মসজিদের পাশে ইয়াসিন সহ তিনজনকে পাকড়াই করে সেনা। ওই জায়গা থেকে অনেক অস্ত্র ও বারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলের দিকেই কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকায় পাক সেনার হামলায় মৃত্যু হয়। শহিদ জওয়ানের নাম জগ্রাম সিং তোমার। তিনি মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। বুলেটের আঘাতে আহত হওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। এছাড়া এদিনের ঘটনায় মৃত্যু হয় এক স্থানীয় মহিলার৷ পাশাপাশি শনিবার রাতে সেনার সদর কার্যালয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ এলাকা জুড়ে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট৷

কাশ্মীরের বাদগামে থাকত ইয়াসিন। ১৯৯৭ তে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে এসে জঙ্গি কার্যকলাপ শুরু করে সে। কাশ্মীরে অস্ত্রচালনার ট্রেনিং নেয়। বাকি দুই মৃত জঙ্গির নাম উমের মাজিদ মীর ও ইরফান উল হক। এরা একাধিক হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল অতীতে।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I