মুম্বই: বিগ বি অমিতাভ বচ্চন গতকাল নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করলেন তার আশির দশকের একটি লাইভ পারফর্মেন্সের ছবি। এটি তার জীবনের প্রথম লাইভ পারফর্মেন্সে। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল ১৯৮৩ সালে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে। তিনি জানিয়েছেন, এই স্টেডিয়ামে তাঁর পারফর্মেন্সেটি ছিল কোন ভারতীয়র করা প্রথম অনুষ্ঠান। ছবিটি পোষ্ট করারা সঙ্গে সঙ্গেই তার বাকি ফ্যানেদের পাশাপাশি তার মেয়ের ঘরের নাতনি নব্যা নভেলি নন্দা তার আইকন অমিতাভ বচ্চনের প্রতি ভালবাসা জাহির করেছেন।

এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে যুবক বচ্চন হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে নিজের পারফর্মেন্সে মগ্ন রয়েছেন। পিছনে একটি সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে সেখানে লেখা ‘Live Tonite Amitabh Bachchan’। ছবিটি শেয়ার করে বিগ বি লিখেছেন, ‘১৯৮৩-তে আমার জীবনের প্রথম লাইভ পারফর্মেন্সে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে। বিশ্বের এরকম একটা মর্যাদাপূর্ণ স্টেডিয়ামে এটি ছিল ভারতীয়দের করা প্রথম পারফর্মেন্সে।’ এই পোস্টে বচ্চনের নাতনি নব্যা যিনি একজন রেগুলার সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার প্রথম কমেন্ট করে ভালবাসা জাহির করেছেন।

বিগ বির ইনস্টাগ্রামে রয়েছে ২৬ মিলিয়ন ফলোয়ার। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিশাল ফ্যান্ডাম বেশ উপভোগ করেন তিনি। বিগত কিছুদিনে তিনি তার পুরনো সিনেমার মুহূর্ত পোষ্ট করছিলেন। ‘চুপকে চুপকে’র ৪৬ বছরপূর্তিতে সিনেমার একটি দৃশ্য শেয়ার করেছিলেন। ‘আজুবা’র ৩০ বছর পূর্ণ করার ছবিও তিনি শেয়ার করেছেন তার ভক্তদের সঙ্গে। তিনি ১৯৭০ এর তার সোনালি দিনগুলির কথা স্মরণ করে ইয়ং অমিতাভের একটি ছবি পোষ্ট করে ‘ডন’, ‘মুকাদ্দার কা সিকান্দার’, ‘ত্রিশূল’, ‘গাঙ্গা কি সুগান্ধ’ প্রমুখ হিট ছবিগুলির কথা মনে করিয়েছেন। সঙ্গে তিনি এখনকার ওটিটি তে মুক্তি পাওয়া সিনেমার সঙ্গে হলে মুক্তি পাওয়া ছবির তুলনা করে বলেছেন, ‘একটা সিনেমার সাফল্য নির্ভর করে সিনেমাটি থিয়েটারে কত সপ্তাহ চলছে তার উপর।’

কাজের প্রসঙ্গে, বিগ বি কিছুদিন আগেই জানিয়েছেন তিনি দীপিকা পাডুকনের সঙ্গে আবারও কাজ করছেন। ছবির নাম ‘দ্য ইনটর্ন’। এই ছবিতে প্রয়াত ঋষি কাপুরের পরিবর্তে তিনি অভিনয় করছেন বলে জানা গেছে। এই ছবিটি ২০১৫ সালের হলিউড সিনেমা ‘The Intern’ এর রিমেক। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন রবার্ট দে নিরো এবং অ্যানে হ্যাতওয়ে।

এছাড়ও ‘ঝুন্ড’, ‘ব্রহ্মাস্ত্রা’, ‘গুড বাই’, ‘মে বি’ আরও কিছু ছবিতে দেখা যাবে বিগ বিকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.