নয়াদিল্লি: জারি করা হয়েছে লকডাউন। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই সেই লকডাউন কার্যকর হয়েছে। আগামী ২১ দিন কেউ বাড়ির বাইরে বেরতে পারবেন না। বন্ধ থাকবে একাধিক অফিস, স্কুল, কলেজ সবই। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে এটাই একমাত্র উপায় বলে মনে করছে প্রশাসন।

এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর কথা ভেবেই অস্থির হয়ে উঠেছে। কোথা থেকে আসবে চাল, ডাল, নুন তা নিয়েই শুরু হয়েছে প্যানিক। এত মানুষ একসঙ্গে দোকানে ছুটোছুটি করছেন যে তাতেই তৈরি হচ্ছে জমায়েত, যা এই পরিস্থিতিতে করা উচিৎ নয়। এছাড়া মানুষ আতঙ্কের বসে প্রয়োজনের থেকে বেশি জিনিস কিনে নিচ্ছেন, তাতেও অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে অন্যান্যদের। দোকানে মিলছে না চাল, ডাল, ডিম।

তাই এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের চেষ্টা করছে ‘বিগ বাজার’। এমনিতেই দেশে বেশ জনপ্রিয় এই মার্কেট। সবসময় মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। এবার বিগ বাজার বাড়ি বাড়ি জিনিস পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শহরে বিগ বাজারের যে কাউন্টারগুলি রয়েছে, তার তালিকা ট্যুইটার হ্যান্ডেলে দেওয়া হয়েছে। সেখানেই লেখা রয়েছে ফোন নম্বর। ফোন করে জিনিস অর্ডার দিলে, তা বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়েও অর্ডার করা যাবে।

যদিও লকডাউন জারি থাকলেও অনেক পরিষেবাই খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ২১ দিনের লকডাউনে সরবরাহ থাকবে দুধ, মুদিদ্রব্য, এটিএম, চিকিৎসা পরিষেবা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবার। এমনকি জেলা প্রশাসন যাতে মাছ, সবজি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে সেই নির্দেশিকাও রয়েছে।

মঙ্গলবার দেশবাসীর উদ্দেশ্যে মোদী বলেন, ২১ দিন দেশজুড়ে লকডাউন জারি থাকবে। তিনি বলেছেন, ‘বাড়ির বাইরে লক্ষণরেখা টেনে দিন।’ দেশের প্রত্যেকটা গ্রাম, প্রত্যেকটা গলিতে জারি থাকবে লকডাউন। সতর্ক করে তিনি বলেন, অনেক উন্নত দেশও এই ভাইরাসের কাছে হার মেনেছে। অনেক প্রস্তুতি নিয়েও একে থামানো সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি এই সময়ে ব্যাহত হবে না।

নানান প্রয়োজনীয় দ্রব্য, যেমন খাবার, ওষুধপত্র ইত্যাদির ক্ষেত্রে হোম ডেলিভারি চালু থাকবে।

এছাড়া পেট্রোল পাম্প, এলপিজি সরবরাহ চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি নানান প্রাইভেট নিরাপত্তারক্ষীদের এজেন্সিও চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

কলকাতার কোথায় পাওয়া যাবে, দেওয়া রইল তালিকা:

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা