নয়াদিল্লি: রিলায়েন্স রিটেইলের সঙ্গে চুক্তির জন্য মার্কিন-ভিত্তিক ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের সঙ্গে মারাত্মক আইনী বাধায় লিপ্ত কিশোর বিয়ানির বিগ বাজার। করোনাকালে এবার বিগবাজার নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে। অতিমারীতে গ্রাহক সংখ্যা বাড়াতে ভারত জুড়ে দুই ঘন্টার মধ্যে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা করেছে। মূলত বেশ কিছু রাজ্যে করোনার সংক্রমণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউন চলছে। সাধারণ মানুষ এই সময় বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। তাই গ্রাহকদের সুবিধার্থে এই পন্থা নিয়েছে।

যদিও ২০১৬ সাল থেকে আমাজন ‘ইন্ডিয়া কি আপনি দুকান’ (India’s own shop) ট্যাগলাইন দিয়ে বিজ্ঞাপনী প্রচার চালাচ্ছে। অন্যদিকে বিগ বাজার ‘ইন্ডিয়া কি আসলি দুকান’ (India’s original shop) ট্যাগলাইন দিয়ে প্রচার চালাচ্ছে। ফিউচার গ্রূপের প্রধান জানিয়েছে, কোন সংস্থা দুই ঘন্টার মধ্যে সরবরাহ করেন না। আমাদের স্টোরগুলিতে ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ সংখ্যা দ্বিগুণ করা হচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকার ডেলিভারি সংস্থাগুলির সঙ্গেও আমরা জোটবদ্ধ করেছি। জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে আমাদের এভারেজ টিকিট সাইজ ১৫০০ টাকা।

বিগবাজারের আর এক কার্যনির্বাহী প্রধান জানান, আসলি দুকান (Asli Dukan) ছাড়াও আমরা আশ্চর্য (Amazing) শব্দ নিয়েও খেলছি। যেমন আশ্চর্যজনক পরিষেবা, আশ্চর্যজনক মূল্য, আশ্চর্যজনক পণ্য এবং আশ্চর্যজনক ডিল শব্দগুলো ব্যবহার করছি।

গত এক দশক ধরে ভারতে খুচরো ব্যবসার চালচিত্রে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন ‘রিটেল কিং’ ফিউচার গোষ্ঠীর কর্ণধার কিশোর বিয়ানি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমাগত ব্যবসা ছড়িয়ে দিয়ে খুচরো ব্যবসার দুনিয়ায় একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু তাঁর ব্যবসায় করোনা মহামারী ধাক্কা দেয় এতটাই যে, তিনি শেয়ার বিক্রি করার চেষ্টা করেন। রিটেল বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিপুল সম্ভাবনাময় ওই বাজারকে পাখির চোখ করে মুকেশ আম্বানির রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ। ফিউচারের ব্যবসাকে হাতে নিতে জোর প্রস্তুতি চালায়। আর এত সহজে জমি ছাড়তে নারাজ বেজোসের আমাজন ফিউচার গোষ্ঠী। এখানে অ্যামাজনেরও বিনিয়োগ থাকায় চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় আমাজন। কার্যত রিলায়্যান্সকে থামাতে উঠে পড়ে লেগে পড়েন বেজোসের সংস্থা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.