স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সল্টলেকের বিধান মূর্তির পাদদেশে শিক্ষক পুলিশ ধস্তাধস্তি৷ উভয় পক্ষের আহত প্রায় ১০ জন৷ বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷ মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ এস এস কে,এম এস কে ও এ এস শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনিদিষ্টকালের ধর্ণা কর্মসূচির আজ সপ্তম দিন৷

বৃহস্পতিবার সল্টলেক বিধান মূর্তির সামনে থেকে প্রায় হাজার খানেক শিক্ষক শিক্ষিকা মিছিল করে বিকাশ ভবনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ তখন পুলিশ ব্যারিকেড করে আটকায়৷ শুরু হয় পুলিশ শিক্ষক ধস্তাধস্তি৷ সেই সময় মহিলা পুলিশসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হন৷ শিক্ষক সংগঠনের দাবি তাদেরও পাঁচজন আহত হয়েছেন৷ এরপর আন্দোলনকারীরা রাস্তা অবরোধ করেন৷

ওয়েস্ট বেঙ্গল তূণমুল এস এস কে,এম এস কে টিচার্স অ্যান্ড এ এস ঐক্য মঞ্চের ডাকে বিভিন্ন দাবিতে ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ধর্না৷ সেদিন থেকে সল্টলেকের বিধান মূর্তির পাদদেশে কয়েক শত শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজাররা অনিদিষ্টকালের জন্য ধর্ণায় বসেছেন৷ প্রথমে আন্দোলনকারীরা করুণাময়ী সেন্ট্রাল পার্কের সামনে রাস্তার ওপরই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন৷ পরে পুলিশ সেখান থেকে তাদের তুলে দেয়৷ এরপরই আন্দোলকারীরা বিধান মূর্তির পাদদেশে ধর্ণায় বসেন৷

যে সব দাবিতে এই ধর্ণা তা হল, ২০১৩ সালের মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত অনুসারে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র কে প্রাথমিক ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অধীনে অনুমোদন দিতে হবে৷ এবং শিক্ষাদপ্তরকে পুরোপুরি দায়িত্ব তুলে নিতে হবে৷ সমগ্র শিক্ষা অভিযানের নিয়ম অনুযায়ী শিশু শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজারদের ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে বেতন বৃদ্ধি কার্যকর করতে হবে এবং বেতন পরিকাঠামো চালু করতে হবে৷ শিক্ষক শিক্ষিকা ও সুপারভাইজারদের পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে৷ এস এস কে,এম এস গুলিকে নবম ও দশম শ্রেণী খোলার ব্যবস্থা করতে হবে৷

এছাড়া সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়োগের অনুমোদন কর্মসংস্থান পরিচয়পত্র দিতে হবে৷ অবিলম্বে শূণ্যপদে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে৷অনিদিষ্টকালের জন্য ধর্ণা কর্মসূচিতে বিভিন্ন দিনে ওই মঞ্চে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সোমেন মিত্র, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যসহ প্রমুখ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।