স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মূল গণ্ডগোলের সূত্রপাত কলকাতা বইমেলায়। শনিবার বিকেলে জনবার্তার স্টলে যান বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সেই সময় স্টলের সামনে এনআরসি-ক্যার বিরোধিতায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কয়েকজন পড়ুয়া। স্টল থেকে কয়েক জন বেরিয়ে এসে তাদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।

বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনকে বইমেলার ভেতরে বিধাননগর পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আটক করা হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের বিধাননগর উত্তর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশকর্মীকে ঘুসি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলে অশান্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোকারীরা।

এদিন সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় তুমুল হট্টগোল বাঁধে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহাকে ঘিরে বইমেলায় প্রবল বিক্ষোভ করে পড়ুয়ারা। রাহুল সিনহাকে ঘিরে চলে গো-ব্যাক স্লোগান। বইমেলা চত্বরেই এরপর বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খায় পুলিশ।

বইমেলাতেও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির বিরোধিতার আঁচ। প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন হাতে প্রবল বিক্ষোভ পড়ুয়াদের। শনিবার বইমেলায় যান বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। রাহুল সিনহা যেতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন পড়ুয়ারা। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে থাকেন পড়ুয়ারা। এদিন রাহুল সিনহার সঙ্গেই বেশ কিছু বিজেপিকর্মীও যান বইমেলায়। বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপিকর্মীরা।

সেই অশান্তি গিয়ে ঠেকে বিধাননগর উত্তর থানায়। পুলিশ শেষ পর্যন্ত অভিযোগ নিয়েছে কিনা সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত জানা যায়নি। এদিন কলকাতার একাধিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া বইমেলার বিক্ষোভে সামিল ছিলেন। বিক্ষোভে ছিলেন বেশ কিছু গণ সংগঠনের সদস্যরাও। প্রবল বিক্ষোভের জেরে এদিন সন্ধেয় বইমেলার ৭ নং গেট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। সেই গণ্ডগোল আর বড় হয় বিধাননগর উত্তর থানায়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ