স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরে সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কিনা, সাধারণ মানুষ জমির রেকর্ড ও মিউটেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোথাও কোন সমস্যা আছে কিনা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরা ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা সরজমিনে পরিদর্শনে করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা স্ট্যান্ডিং কমিটির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা স্ট্যান্ডিং কমিটির ভূমি সংস্কার দফতরের চেয়ারম্যান তথা ভগবানপুরের বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি-সহ সাত সদস্য রামনগরে পৌঁছন। তাঁরা রামনগর-১ ব্লক অফিস ও ভূমি দফতর সরজমিনে পরিদর্শন করেন। কমিটির চেয়ারম্যান তথা ভগবানপুরের বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি বলেন, ‘আমরা এই সফরে ব্লক অফিস ও ভূমি দফতর সরজমিনে পরিদর্শন করেছি। তবে ভূমি দফতরের আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষ জমির রেকর্ড, মিউটেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোন সমস্যায় না পড়েন। আমাদের সরকার জমির মিউটেশন ফি মুকুব করেছি।’

পাশাপাশি এদিন রামনগরের কাঁটাবনিতে একটি কাজু কারখানা পরিদর্শন করেন তাঁরা। রামনগরের এই কারখানা থেকে উন্নত মানের কাজু পাওয়া যাচ্ছে। এখানকার কাজুর মান অন্যান্য জায়গার থেকেও ভালো বলে বিশেষজ্ঞরা তাঁদের জানিয়েছেন। পাশাপাশি কাঁথি-৩ ব্লক ভূমি দফতরও পরিদর্শন করেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা স্ট্যান্ডিং কমিটির সাত সদস্য।

কাঁথি-৩ ব্লকের ভূমি কর্মাধ্যক্ষ কনিষ্ক পাণ্ডা জানান, আমাদের ব্লকের ভূমি দফতরে যথেষ্ট কর্মচারীর অভাব রয়েছে। অফিসে বসার জায়গাও তেমন নেই। প্রায়ই লিঙ্ক থাকে না। ভূমি দফতরে অনলাইন সিস্টেম বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ডিএসসিও বন্ধ হয়ে রয়েছে। এই সমস্যাগুলো তাঁদের জানিয়েছি। বেশ কিছু দিন আগে লিখিতভাবে জেলার আধিকারিকদের জানানো হয়েছে।

 

স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য তথা রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরির মতে, সমস্যার কথা আমিও শুনেছি। বিষয়টি দেখার জন্য জেলার ভূমি দফতরের আধিকারিক রয়েছেন। আমরা বিষয়টি তাঁদের নজরে আনব। সাত সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য তথা দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান, সদস্য ও তমলুকের বিধায়ক অশোক দিণ্ডা, সদস্য তথা রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি, রামনগর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মহাপাত্র, সহ-সভাপতি নিতাই চরণ সার, ব্লকের জয়েন্ট বিডিও মহীতোষ মহাপাত্র, কর্মাধ্যক্ষ কৌশিক বারিক ও আব্দুল খালেক কাজি প্রমুখ

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।