ইন্ডিয়ানাপলিস: ইন্ডিয়ানাপলিস মাস শুটিং বা বন্দুকবাজের হামলায় একাধিক মানুষের হত্যা নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বন্দুকবাজের হামলায় আমেরিকার ইন্ডিয়ানাপলিসে মৃত্যু হয় কমপক্ষে ৮ জনের। আহত আরও অনেকে। তাঁদের মধ্যে ৪ জন ছিলেন শিখ সম্প্রদায়ের। গোটা ঘটনাকে বাইডেন “জাতীয় লজ্জা” বলে বর্ণনা করেছেন।

বাইডেন হোয়াইট হাউস রোজ গার্ডেনে একটি কনফারেন্সে একথা বলেন। তিনি আরও বলেন তিনি আরও একবার গণহত্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “সবসময় এই ধরণের মাস শুটিংয়ের ঘটনা ঘটে না। যদি আমাদের শহর এবং গ্রামাঞ্চলের রাস্তায় নিহত মানুষকে ধরেন তবে প্রতিদিনই যুক্তরাষ্ট্রে মাস শুটিং হয়। কিন্তু এটি একটি জাতীয় লজ্জা। এর শেষ হওয়া উচিত।” শুক্রবার (স্থানীয় সময়) ফেডেক্সের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ফ্রেড্রিক স্মিথ ইন্ডিয়ানাপলিসের ঘটনাটিকে ‘হিংসতার বোধহীন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি ঘটনায় যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। একটি বিবৃতিতে তিনি লিখেছেন, “আমি টিম মেম্বারদের পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ইন্ডিয়ানাপলিসে সাহায্যের জন্য আমাদের একটি টিম রয়েছে। সেখানে পরামর্শদাতারা রয়েছেন।” স্মিথ আরও বলেছেন, “এটি একটি বিপর্যয়মূলক দিন। আমাদের কারোরই অনুভূতি ব্যক্ত করার মতো ভাষা নেই। আগামীর কঠিন দিনগুলোর জন্য ইন্ডিয়ানাপলিস এবং পার্শ্ববর্তী সম্প্রদায়ের জন্য প্রার্থনা করুন।”

ইন্ডিয়ানাপলিস প্রশাসন সূত্রে খবর সেখানকার ইন্টারন্যশনাল এয়ারপোর্টের অন্তর্গত ফেডেক্স সেন্টারে এই রক্তাক্ত হামলা চালায় বন্দুকবাজ। এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে বহু মানুষ গুলিবিদ্ধ ও ৮ জনের মৃত্যু হলে ওই বন্দুকবাজ নিজেও গুলিবিদ্ধ হয়। কী করে ওই বন্দুকবাজ গুলিবিদ্ধ হল, নাকি সে নিজেই আত্মহত্যা করেছে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ফেডেক্স সেন্টারে। পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদেরকে এলাকারই বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পরেই সেখানে হাজির হয় পুলিশের গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকেরা। তারা সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ সংগ্রহ করছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.