স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আর কিছুদিন পরেই শুরু হবে বইপ্রেমীদের শ্রেষ্ঠ উৎসব। বুধবার পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের পক্ষ থেকে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়েছে ২০২০ সালের কলকাতা বইমেলায় থাকছে নানা চমক। মেলা শুরু হচ্ছে ২৯ জানুয়ারি থেকে। চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন মেলা খোলা থাকবে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। গত দু’বছরের মতো এবারও কলকাতা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক প্রাঙ্গণে।

উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের ফোলাক থিম কান্ট্রি রাশিয়া। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়, সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে প্রমুখ। আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় সরাসরি ও যৌথ ভাবে অংশগ্রহণ করছে ২০টি দেশ। বাংলাদেশ থেকে আসছেন প্রায় ৪০ জন প্রকাশক।

বইমেলায় বিশেষ ভাবে উদযাপন করা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতবার্ষিকী। এবার কলকাতা বইমেলায় থাকছে ৬০০ স্টল এবং ২০০ লিটল ম্যাগাজিন। গাড়ি পার্কিঙের পাশাপাশি এবারের বইমেলায় করা হচ্ছে সাইকেল স্ট্যান্ড। এর আগে বইমেলায় কোনও দিন সাইকেল স্যান্ড হয়নি। কিন্তু এবার সাইকেল আরোহীদের কথা মাথায় রেখে আলাদা সাইকেল স্ট্যান্ড বানানো হচ্ছে। পরিবেশের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বইমেলাকে পরিবেশ বান্ধব বইমেলা করার জন্য এগিয়ে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগর উন্নয়ন দফতর। সিইএসসির সহযোগিতায় বইমেলায় থাকছে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।

এর আগে বইমেলা অনুষ্ঠিত হত সাইন্স সিটির বিপরীত দিকে মিলন মেলা প্রাঙ্গণে। কিন্তু, দিল্লির প্রগতি ময়দানের মতো সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মিলন মেলা প্রাঙ্গণ। সেখানে কাজ চলার কারণে কলকাতা বইমেলা কিছুদিনের জন্য স্থানান্তরিত করা হয় সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহায্যের কথা স্বীকার করেন সুধাংশুশেখর দে।

গত দু’বছর সল্টলেকে বইমেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দেখা গিয়েছে প্রকাশকেরা লাভবান এবং পাঠকও খুশি। বইমেলা প্রাঙ্গণের পাশেই রয়েছে করুণাময়ী বাস স্ট্যান্ড। এছাড়া অটোতে খুব সহজেই পৌঁছানো যায় উল্টোডাঙা স্টেশনে। সেই দিক থেকে বিচার করলে মিলন মেলায় যাতায়াতের ব্যবস্থা কিছুটা হলেও অসুবিধের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I