কর্মজীবনের নানবিধ চাপ, ও নানা দায়িত্ব সামলে মাঝে মাঝেই তৈরী হয় এক দমবন্ধকর পরিস্থিতির। জীবনের প্রতি নিঃশ্বাস প্রশ্বাসে বুক ভরে নিতে চায় অক্সিজেন। মন ছুটে চলে সুদূর প্রান্তরে , হারিয়ে যেতে চাই সবুজ গাছ পালার মধ্যে। কিন্তু এই সময়ে যাঁদের দীর্ঘ ছুটি পেতে সমস্যা রয়েছে তারা সাময়িক আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য সপ্তাহের শেষে সহজেই ঘুরে আসতে পারেন বিচিত্রপুর। বিচিত্রপুর দীঘার খুব কাছেই অবস্থিত একটি ভ্রমণ কেন্দ্র। ম্যানগ্রোভ এর ছোট জঙ্গল, বিস্তীর্ণ জলরাশি, সুন্দর আবহাওয়া আপনার মনকে ভালো করে তুলতে বাধ্য। চলুন দেখেনি বিচিত্রপুর ভ্রমণ সম্পর্কে বিস্তারিত।

কী ভাবে যাবেন: দীঘা গামী যে কোনো ট্রেনে চলে যান দীঘা। সেখান থেকে টোটো বা অটো করে চলে যান বিচিত্রপুর। অথবা কলকাতা থেকে দীঘা গামী বাসে করে দীঘা গিয়ে সেখান থেকেও যেতে পারেন বিচিত্রপুর।

কোথায় থাকবেন: বিচিত্রপুরে থাকার মতো অনেক হোটেল রয়েছে। সেখানে থাকতে পারেন। ওখানে খাওয়া দাওয়াও মন্দ নয়। সম্ভব হলে আগে থেকে বুক করে যাবেন।

কি দেখবেন: প্রকৃতির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি আপনি করতে পারেন নৌকবিহার। দুপাশে ম্যানগ্রোভ জঙ্গল আর মাঝে বিস্তীর্ণ জলরাশির মধ্যে দিয়ে নৌকানিহার এক অদ্ভুত অনুভূতি। এই সময় চাইলে আপনি মাছ ও ধরতে পারেন। এখানকার হাওয়া বেশ স্বাস্থ্যকর। আপনার অনেক দিনের ক্লান্তি লাঘব হয়ে যাবে।কংক্রিটের জঙ্গল , শহরের কোলাহল ছেড়ে কিছুদিন এখানে কাটাতে বেশ ভালো লাগবে। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ, ঠান্ডা জলের ধারা যখন আপনার পা স্পর্শ করবে তার অনুভূতি অপার্থিব এখানে আছে একটি মিউজিয়াম যেখানে প্রবাল, কাকড়া ও নানা সমুদ্রিক মাছ জনসাধারণের দেখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সেই মিউজিয়াম অবশ্যই ঘুরে দেখুন।

আপনার হাতে যদি সময় থাকে তবে চলে যেতে পারেন চন্দনেস্বর মন্দির ভালো লাগবে। এছাড়াও আপনি যদি সমুদ্র ভালোবাসেন তবে ঘুরে দেখতে পারেন তালসারি। আপনার হাতে সময় থাকলে দীঘার সমুদ্র উপভোগ করতে কয়েকটা দিন কাটাতে পারেন দীঘাতেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.