নিউইয়র্ক: দুই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে ২০২০ ইউএস ওপেন। করোনাতঙ্কে চলতি বছর খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে তাঁকে যে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে দেখা যাবে না, সেব্যাপারে বেশ কিছুদিন আগেই নিশ্চিত করেছিলেন রাফায়েল নাদাল। এবার তালিকায় নাম লেখালেন কানাডার প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী টেনিস তারকা বিয়াঙ্কা আন্দ্রেস্কু। গতবছর ফ্লাশিং মেডো জিতেই স্বপ্নের উত্থান শুরু হয়েছিল কানাডার এই মহিলা টেনিস তারকার। অথচ একবছর পর তাঁর প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন না বলে জানালেন বছর কুড়ির বিয়াঙ্কা।

তবে বিয়াঙ্কার টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণ করোনা নয়। কানাডিয়ান তারকা জানিয়েছেন, তিনি পুরোপুরি ম্যাচ ফিট নন। পুরোপুরি ফিট হয়েই পরবর্তীতে কোনও প্রতিযোগীতায় নামতে চান তিনি। গতবছর মার্কিন টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা উইলিইয়ামসকে হারিয়ে কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যান জেতা বিয়াঙ্কা সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কাছের মানুষদের সঙ্গে অনেক আলোচনার পর আমি একটা কঠিন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে চলতি বছর আমি আর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরব না।’

তবে প্রাথমিকভাবে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে সবুজ সংকেতই দিয়েছিলেন বিয়াঙ্কা। বিবৃতিতে ফ্লাশিং মেডোয় অংশ না নেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি লিখেছেন, ‘ম্যাচ ফিটনেসে ফোকাস করতেই আমি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমি নিশ্চিত করতে চাই যে ফের যখন কোর্টে ফিরব তখন সর্বোচ্চ ফিটনেস নিয়েই ফিরব।’ তবে বিয়াঙ্কাই প্রথম নন। করোনা কাঁটায় চলতি বছর ইউএস ওপেনে নেই অ্যাশলে বার্টি, এলিনা সিতোলিনার মতো প্রথম সারির আরও একাধিক মহিলা টেনিস তারকা।

তেমনি পুরুষ বিভাগে রাফায়েল নাদাল ছাড়াও নেই’য়ের তালিকায় রয়েছেন রজার ফেডেরার, স্ট্যান ওয়ারিঙ্কা, দেল পোত্রোর মতো তারকারা। ফেডেরার যদিও হাঁটুতে অস্ত্রোপ্রচারের জন্য মরশুমের বাকি সময়টা নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন কোর্ট থেকে। উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুর দিকে একাধিক টুইটে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন রাফা।

গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের নিরিখে ফেডেরারকে স্পর্শ করা থেকে মাত্র একধাপ দূরে দাঁড়িয়েও নাদাল বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে পরিস্থিতি ভীষণই উদ্বেগজনক। কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি বিন্দুমাত্র নাগালের মধ্যে আসেনি। তাই এমন একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইচ্ছে না থাকলেও বাধ্য হয়েই নিতে হচ্ছে। অনেক চিন্তা-ভাবনার পর চলতি বছর ইউএস ওপেনে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।’

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।