থিম্পু: ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবস ২৬ জানুয়ারি উপলক্ষে বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা দিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ড. লোটে শেরিং। ভারতবাসীর প্রতি তিনি বলেছেন, আপনাদের মহানুভবতায় আমরা বিশেষ আশান্বিত ও সাহসিকতা অর্জন করেছি।

সুখী দেশ হিসেবে ভুটান বিশ্বে বিশেষ আলোচিত। এই অবস্থান থেকেই ভুটানি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করি ভারতে আরও শান্তি ও সুখ বজায় থাকুক।

ভারতের ৭১ তম সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা দিলেও এখনও পর্যন্ত চর্চিত দেশটিতে প্রবেশমূল্য় বৃদ্ধি নিয়ে নীরব ভুটান সরকার। সম্প্রতি বলা হয়, এবার থেকে ভারতীয়দের জন্য জন প্রতি ২৫০ মার্কিন ডলার ধার্য করা হবে।

সেই হিসেবে প্রতি ভারতীয়কে ভুটানে ঘুরতে গেলে কমকরে ১৭ হাজার টাকা সীমান্তে জমা দিতে হবে। শিশুদের জন্য থাকছে ছাড়। আরও বলা হয় একই নিয়ম জারি হচ্ছে বাংলাদেশি ও মালদ্বীপবাসীর ক্ষেত্রে।

ভুটান ও ভারতের বিদেশমন্ত্রকে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। তারপরেই এই প্রবেশ মূল্যের বিরাট বৃদ্ধিতে ভীত হয়ে পড়েছে ভারতীয় পর্যটন সংস্থাগুলি। নিয়মটি ভুটান সরকার বলবত করলেই লোকসানের পাহাড় মাথায় চাপবে।

প্রথমে থিম্পু থেকে জানানো হয় ২০২০ শুরুতেই নতুন প্রবেশ কর সংক্রান্ত আইনটি ভারতীয়দের জন্য ধার্য হতে পারে। সেই হিসেবে একের পর এক সংস্থা তাদের ভুটান ভ্রমণ সূচি কাটছাঁট করেছে। তবে জানুয়ারি শেষ হতে চললেও এখনও সেই নিয়ম বলবত হয়নি। শিলিগুড়ি, কলকাতা, অসমের বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা চিন্তিত।

ভুটানে প্রবেশের জন্য ভারতীয়, বাংলাদেশি, মালদ্বীপবাসী ছাড়া বাকি সব দেশের নাগরিকদের ২৫০ ডলার দিতে হয়।ভারতীয়রা পাসপোর্ট ছাড়াই ভুটানে আসতে পারেন। সেই নিয়মেও কিছু পরিবর্তন আগেই হয়েছে। ভুটানে ঢুকতে হলে ভারতীয়দের পরিচয়পত্রের তালিকায় পাসপোর্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চলতি পর্যটন বছরে বিশ্বে ভুটান বিশেষ স্বীকৃত। আন্তর্জাতিক সংস্থা লোনলি প্লানেট সর্বশ্রেষ্ঠ গন্তব্য হিসেবে ভুটানকেই তুলে ধরেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।