কলকাতা: ভাইয়ো, বহেনোঁ-ম্যায় ছত্তিসগড় কে ধরতি সে আয়া হুঁ…তার পরেই ভরাট কন্ঠস্বরে অনেকটা মোদী রীতির বাচনভঙ্গী। ব্রিগেডে মহাজোটের জনসভা থেকে ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল চোস্ত হিন্দিতে বলে উন্মাদনা তৈরি করেছেন।

ভূপেশ বাঘেল কংগ্রেসের তারকা বক্তা। সম্প্রতি তাঁকে অসমের নির্বাচনে জনসভা করতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির একাধিক মুখ্যমন্ত্রীর হিন্দি ভাষণের বদলে ভূপেশ বাঘেলের ভরাট কণ্ঠস্বর শ্রোতাদের মধ্যে উন্মাদনা এনে দেয়, এমনই দাবি কংগ্রেসের।

অসম থেকে সোজা পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রথম ব্রিগেড জনসমাবেশে হাজির ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী। কংগ্রেস-বামফ্রন্ট ও আইএসএফের মহাজোটের মঞ্চে তিনিই একমাত্র ভিভিআইপি অতিথি বক্তা। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ছিল।

ভাষণে বারবার বিজেপির নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন ভূপেশ বাঘেল। অনেকটা প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্টাইলে হিন্দিতে বাঘেলের ভাষণ দেওয়া নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ, বাঘেলের ভাষণ ব্রিগেডের জনসমাবেশে উন্মাদনা তৈরি করেছে।

বাঘেল বলেন, প্রধানমন্ত্রী জি, যখন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন, তখন আপনার সাভারকর ও শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ভারতীয়দের ব্রিটিশ সেনার অন্তর্ভুক্ত করানোর কাজ করেছিলেন।

একইসঙ্গে ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি বাংলার জনগণের কাছে জানতে চাই, আপনারা সাম্প্রদায়িকতাকে শেষ করতে চান কি না? বিশ্লেষকরা বলছেন, ভাষণের এই পর্বে প্রধানমন্ত্রী মোদীর মতো ভঙ্গী ও কণ্ঠস্বর ছিল ভূপেশ বাঘেলের।

গত বিধানসভা নির্বাচনে ছত্তিসগড় বিজেপির হাতছাড়া হয়। ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। এরপরেই সে রাজ্যে কৃষকদের উন্নয়নে কৃষি ঋণ মকুব করেন ভূপেশ বাঘেল।

ভূপেশ বাঘেলের কটাক্ষ, দাড়ি বাড়িয়ে ঘুরে বেড়ালেই বাংলার জনতার মন পাওয়া যাবে না। তিনি যে প্রধানমন্ত্রী মোদীকেই কটাক্ষ করেছেন তাও ইঙ্গিতে বলেন।

রাজ্যে নির্বাচনের ঢাক বাজতেই প্রথম ব্রিগেড জনসমাবেশ হয়ে গেল। সিপিআইএম সহ বামফ্রন্টের সব শরিক দল, কংগ্রেস ও আব্বাস সিদ্দিকীর আইএসএফ এই সমাবেশে একত্রে অংশ নেয়। ব্রিগেড থেকে বারবার উঠে আসে তিন পক্ষের মিলিত মহাজোট তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে একজোটে লড়াই করবে।

ভিড়ে ঠাসা ব্রিগেডে জনসভায় ভূপেশ বাঘেলের ভাষণ ভঙ্গিমা ইতিমধ্যেই চর্চায় আসতে শুরু করেছে। সোশ্যাল সাইটে ভূপেশ বাঘেলের ভেরিফায়েড পেজেভাষণের ফুটেজে চলছে মোদীর সঙ্গে তুলনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।