স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর : শারদ-সম্মান দিল গেরুয়া শিবিরও৷ মুর্শিদাবাদের লালগোলায় বিজেপির ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ১৮ নম্বর মণ্ডলের তরফে এই শারদ-সম্মান দেওয়া হয়৷ এলাকার প্রায় ৫০টি পুজোর মধ্য থেকে সেরার সেরাদের বেছে নেন পাঁচজনের বিচারকমণ্ডলী৷ তাদের বিচারে সেরা প্রতিমা বিভাগে বিজয়ী হয়েছে লালগোলা রাজ পুজো কমিটি। সেরা মণ্ডপের শিরোপা পেয়েছে লালগোলা হাঁড়িপট্টি সর্বজনীন৷ এছাড়া মণ্ডপ চত্বরের পরিবেশের উপরও পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বিজেপির যুব সংগঠনের তরফে৷ এই বিভাগে তারা কোনও একটি পুজো কমিটিকে সেরা হিসাবে বাছতে পারেনি৷ বরং যুগ্ম-সেরা হয়েছে লালগোলা স্টেশন পুজো কমিটি ও ইউনাইটেড ক্লাব সর্বজনীন। সেরা পুজো আয়োজক কমিটির বিভাগে রাধাবাগ-রামবাগ ও দেশওয়ালী পাড়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি যুগ্ম বিজয়ী হন।

গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপির ভোট বাড়তে শুরু করেছে৷ তার পর থেকে বিভিন্নভাবে সংগঠনে জোর দিচ্ছে বিজেপি৷ তার মধ্যে রয়েছে জনসংযোগও৷ তাই পুজোয় পুরস্কার দিয়ে জনসংযোগের কাজ সারা হল বলে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার তরফে জানা গিয়েছে৷ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক দেবাঞ্জন মজুমদার বলেন, ‘‘এলাকায় এই অভিনব ভাবনা হটাৎই আমরা গ্রহণ করি৷ প্রথমবারই যে  আমরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এত সাড়া পাব, তা ভাবতে পারিনি৷ ফলে আগামীদিনে আরও বড় কিছু করার ভাবনা নতুন করে তৈরি হল।’’

বিচারক মৃদুলকুমার রায় বলেন, ‘‘প্রতিটি মণ্ডপকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। ফলে অনেক সময় এক মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আবার কিছুদূর গিয়ে মনে হয়েছে আরও একবার দেখলে ভাল হয়।’’ আরেক বিচারক কলেজ অধ্যক্ষ দিলীপ সরকারের বক্তব্য, অল্প সময়ের মধ্যে বিচার করতে হয়৷ তাই তুল্যমূল্য বিচার করাটা বেশ কঠিন ছিল বলেই তাঁর মত৷ লালগোলা ১৮ নম্বর যুব মোর্চার সভাপতি বিশ্বজিৎ হালদার বলেন, ‘‘আমরা আশা করি এই পুরস্কার পুজো উদ্যোক্তাদের মনবল শুধু বাড়াবেই না৷ আগামী দিনে তাদের আরও ভাল ভাবে কাজ করতে উৎসাহও জোগাবে।’’