নয়াদিল্লি: একে করোনা মহামারীতে বিধ্বস্ত গোটাদেশ। তার উপর সংক্রমণ রোধে আড়াই মাস ধরে চলছে দফায় দফায় লকডাউন। কার্যত গৃহবন্দি মানুষের জীবন-জীবিকা বাঁচিয়ে রাখতে এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোমই ভরসা। আর সেভাবেই এগোচ্ছে বিশ্বের অর্থনীতির চাকা। ব্যাতিক্রম নয় আমাদের ভারতও। তবে এই লকডাউনের বাজারে আর কিছু না হোক, ইন্টারনেটের উপর ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে আমাদের জীবন।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এখন লাইন নয়, অনলাইনই ভরসা আমজনতার। তবে এই বেশী অনলাইনের উপর ভরসা তথা ইন্টারনেটের ওপর ভরসা আপনার জীবনে কোনও বিপদ ডেকে আনছে না তো? অনলাইনে কাজকর্মের দিক থেকে আমরা সবাই খুব একটা পটু নয়। আর যারফলে অজান্তে ইন্টারনেটের ব্যবহার আমাদের জীবনে ডেকে আনছে নানা বিপদ।

সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, জনপ্রিয় মানি ট্রান্সফার অ্যাপ ‘ভারত ইন্টারফেস অ্যাপের’ নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য হ্যাক হয়ে গিয়েছে। যারফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ৭.২৬মিলিয়ন মানুষের। যদিও, বিএইচআইএম’র তরফে এদিন সংবাদ মাধ্যমের কাছে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ‘বিএইচআইএম’ গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনও রকম ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চায় না।

বিএইচআইএম’র নাম করে কেউ কোনও তথ্য জানতে চাইলে তা পুলিশ অথবা সাইবার ক্রাইমে জানানো উচিত। এই অ্যাপটি এনপিসি দ্বারা পরিচালিত এবং গ্রাহকের সুরক্ষায় তারা সদা সতর্ক। যদিও, এই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি প্রথম নজরে আসে এনপিসির। তারাই খেয়াল করে গত ২৮এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সিএসসি’র মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংক ডিটেলস জানার জন্য আধার ও আইডি কার্ডের যাবতীয় তথ্য নেওয়া হয়েছে।

যারফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই অ্যাপটি ব্যবহারকারী প্রায় ৭. ২৬ মিলিয়ন মানুষের। ফলে বিএইচআইএম’র তরফে গ্রাহকদের টাকা পয়সার সুরক্ষার জন্য সদা সর্তক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও কোনওরকম অসঙ্গতি জনক কিছু দেখলে বা ত্রুটি থাকলে তা সাইবার ক্রাইম শাখায় জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। ফলে লকডাউনের বাজারে অনলাইন প্রতারণা বা ঝামেলার হাত থেকে বাঁচতে সর্তক থাকুন সবসময়।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব