সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : পুজো এবার নিউ নর্মাল। নিউ নর্মাল মানে ? মাস্ক, গ্লভস, স্যানিটাইজার নিয়ে ঠাকুর দেখা। না, একদমই তা নয়। একদম যথাযথ সোশ্যাল ডিস্টেন্স মেনে ঠাকুর দেখা। সেটা কেমন ভাবে।

ঠাকুর দেখলে ফিজিক্যাল ডিস্টেন্স হতে পারে। কীভাবে সামাজিক দুরত্ব থাকবে? সম্ভব, সম্ভব। এবার না হয় একটি দুধের সাধ ঘোলেই মেটান। এমনটাই জানাচ্ছেন ভবানীপুর ৭৫ পল্লী সদস্যরা। পরিকল্পনা করছেন অনলাইনে ঠাকুর দেখাবেন।

কিছু বছর আগে তাঁদের থিমে উঠে এসেছিল লন্ডন। দক্ষিণ কলকাতার দুর্গোৎসবের গেটওয়ে হলেও সরু গলির এই পুজো সেবার লন্ডন ও বাংলার মধ্যে যোগস্থাপন করে চমকে দিয়েছিল। লন্ডনে তাঁদের পুজো দেখানো হয়েছিল অনালাইনে। ঠিক সেই জিনিষটাই এবার নিজের শহরের মানুষের জন্য আয়োজন করার কথা ভাবছে ৭৫ পল্লী।

সম্পাদক সুবীর দাস বলেন, ‘পুজো যেমন হবার তেমন হবে। ইতিমধ্যেই আমারা আমাদের বাজেটের এক চতুর্থাংশ কমিয়েছি। কিন্তু এটাই তো শুধু কাজ নয়। আমাদের মানুষের প্রতি,এই শহরের প্রতি একটা দায়িত্ব আছে। সেতা যথাযথ ভাবে পালন করতেই হবে। অন্যান্য বছরের মতো একটা থিমে আমরা পুজো করব। এত নেগেটিভিটি। তার মধ্যে একটা মন ভালো করে দেওয়ার বার্তা দেবে এমন একটা বিষয় নিয়ে কাজ হবে। অনেক দেরীতে শুরু হচ্ছে কাজ। পয়লা সেপ্টেম্বর কাজ শুরু হবে। হাতে খুব কম সময় নিয়েও একটা রঙিন বার্তা আমরা দেব।’

একইসঙ্গে তিনি জানাচ্ছেন, ‘তবে আমরা ভাবছি পুরো বিষয়টা যদি অনলাইনে দেখানো যায়। অর্থাৎ আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে লিঙ্ক শেয়ার করে বা লাইভ করে মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করব। মানুষ আসবে কিন্তু অনেকেই ভয়ে আসবেন না। সেটা স্বাভাবিক আবার এতে ভিড় কম হবে। দুটোই প্রয়োজন আছে। তাই আমরা পুজোটাকে অনালাইন প্লাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি।’

ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর খুঁটি পুজোও হয়ে গেল শনিবার। কোনও সেলেব্রিটি নয় করোনা যোদ্ধাদের দিয়ে প্যান্ডেলের খুঁটি পোঁতাল তাঁরা। উদ্দেশ্য, যারা এত লড়াই করছেন তাঁদের কুর্ণিশ জানানো। উপস্থিত থাকলেন ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, দেবাশীষ কুমার।

ফিরহাদ হাকিম বলেন , ‘যারা সামনে থেকে যুদ্ধ করছে করোনার তারাই সম্মান যোগ্য। তাঁদের সম্মান জানিয়ে ভবানীপুর খুঁটি পুজো করল এটা সত্যিই দারুন বিষয়।’ মদন মিত্র বলেন , ‘করোনাকে নিয়ে সতর্ক হতে হবে আবার যা কাজ সব করতেও হবে। ভয় পেলে চলবে না। সেই ভয় কে জয় করতে শেখাচ্ছেন ফ্রন্ট লাইনাররা। তাঁদের থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.