কলকাতা: শুক্রবারই আনুষ্ঠানিক ভাবে আগামী মরশুমের জন্য ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য্যর হাতে৷চুরাশি থেকে টানা চার বছর ইস্টবেঙ্গলে খেলে যাওয়া বিশ্বজিৎ খুব ভালোভাবেই জানেন যে আত্মসম্মানের রঙ লাল-হলুদ৷ট্রেভর জেমস মর্গ্যানকে মাথায় রেখে বিশ্বজিৎকে সহকারি করার কথা ভেবেছিল ইস্টবেঙ্গল৷কিন্ত শেষ পর্যন্ত বিশ্বজিতই লাল-হলুদের চিফ৷

আর্মান্দো কোলাসোর জামানার শেষদিকে দলের বেশ কিছু খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর একেবারেই আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল৷তা প্রকাশ্যেও চলে এসেছিল৷টিম মানেই যে একটা পরিবার সেই তত্ত্ব ভুলতে বসেছিল কোলাসোর লাল-হলুদ৷টিমকে বেঁধে রাখার মন্ত্র কিন্তু ভালোভাবেই জানা আছে মোহনবাগানকে দু’বার খাদের কিনারা থেকে অবনমন বাঁচিয়ে ফেরানো কোচ৷মহমেডান ও ইউনাইটেড স্পোর্টসকে আই-লিগের মূলপর্বে তোলা বিশ্বজিত বলছেন,‘ আমার প্রথম লক্ষ্যই হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে একটা সুখী পরিবারের চেহারা দেওয়া৷ড্রেসিংরুমের পরিবেশটাই বদলে দিতে চাই৷একজন কোচ হিসেবে ফুটবলারদের সঙ্গে বোঝাপড়াটাই আসল৷ইস্টবেঙ্গলের ঐতিহ্য আমার খুব ভালো ভাবে জানা আছে৷ আমি জানি প্রচুর চাপের মধ্যেই আমাকে এগিয়ে যেতে হবে৷চাপ নিয়ে কাজ করতে আমার ভালোই লাগে৷চাপের মুখেই আমার সেরাটা বেরিয়ে আসে৷এখন আমার চোখ কলকাতা লিগেই৷ইস্টবেঙ্গল টানা পাঁচবার এই টুর্নামেন্ট জিতেছে৷ছ’বারেরটা আমার হাত ধরেই হবে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।