ভাটপাড়া: সাত দিন ধরে নিখোঁজ থাকা এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হল ভাটপাড়ায়। বেল্লে শঙ্করপুর এলাকায় মাটির নীচ থেকে উদ্ধার হয়েছে নিখোঁজ ওই তরুণীর দেহ। একটি কুকুর মাটি খুঁড়তে থাকায় প্রথমে তরুণীর দেহের কিছুটা অংশ বেরিয়ে আসে। পরে স্থানীয়রা তা দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মাটি খুঁড়ে তরুণীর দেহ উদ্ধার করে।

স্তানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই তরুণীর নাম আশা সাউ। ইতিমধ্যেই তরুণীর মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ সাদ্দাম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃত তরুণীর সঙ্গে ধৃত যুবক সাদ্দামের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তরুণীর মৃত্যুর পিছনে সাদ্দামের যোগ রয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

বারাকপুর আদালতের নির্দেশে আপাতত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে ধৃত সাদ্দাম। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে মৃত আশা সাউয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল এলাকার যুবক সাদ্দামের। ভাটপাড়ার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রেমচাঁদ নগরের বাসিন্দা আশা সাউ।

দিন দশেক আগে আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান আশা। তরুণীর পরিবারের তরফে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। কিন্তু কিছুতেই তাঁর কোনও খোঁজ মিলছিল না।

এদিকে, স্থানীয়দের কয়েকজনের দাবি, ওই তরুণীকে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় আশার প্রেমিক সাদ্দামের যোগ রয়েছে বলে দাবি বাসিন্দাদের একাংশের। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই এব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে চায়নি পুলিশ। আপাতত সব দিক খতিয়ে দেখে চলছে তদন্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।