ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কাঁকিনাড়া: ভাটপাড়া পুরসভা জুড়ে ব্যাপক বোমাবাজি। ভাটপাড়া পুরসভা জুড়ে ব্যাপক ভাঙচুরের চেষ্টা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ভাটপাডা় মাতৃসদনেও চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা৷

ভোটের পর থেকেই উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া এলাকা৷ ভোট পরবর্তী সংঘর্ষে জেলায় নিহত হয়েছেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের বেশ কয়েকজন৷ উত্তপ্ত হয়ে ও পরিস্থিতি৷ ঘরছাড়া হতে হয় শাসক দলের কর্মী, সমর্থকদের৷ শান্তি ফেরাতে প্রশাসনকে কঠোর হতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ নিজেই কাঁকিনাড়ায় গিয়ে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ বাম ও কংগ্রেসও শান্তি মিছিল করে৷ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান শিল্পীরাও৷ সেই রেশ চলছে এখনও৷ সপ্তাহের প্রথম দিনই অশান্ত কাঁকিনাড়া এলাকা৷

আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘ঘর শত্রু বিভীষণ’ হয়ে থাকুক সব্যসাচী, চায় বিজেপি

এদিন সকাল থেকেই শুরু হয় বেপরোয়া বোমাবাজি, পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াই চলে দুষ্কৃতীদের। জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত পুলিশ ৫ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে পুলিশ। ভাটপাড়ার ঘোষপাড়া রোডের বিভিন্ন অংশে ষাটটিরও বেশি বোমা পড়েছে। পুলিশের সামনেই চলে বোমাবাজি।

রবিবার রাত থেকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় কাঁকিনাড়া-ভাটপাড়া অঞ্চলে। এলাকায় নতুন করে দুই দুষ্কৃতী দলের মধ্যে বোমাবাজি শুরু হয়। প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে রেল অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদা মেন লাইনের ট্রেন চলাচল। নাকাল হতে হয় নিত্যযাত্রীরা। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে৷

আরও পড়ুন: একুশে জুলাইয়ের আগে ঘরছাড়াদের সাহস জোগালেন শুভেন্দু

এলাকার শান্তির উদ্দেশ্যে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি করেন স্থানীয়রা৷ ভাটপাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা। এর ফাঁকেই ঘোষপাড়া রোডে শুরু হয় বোমাবাজি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি৷ পুলিশের সামনেই চলে বোমাবাজি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫ রাউন্ড গুলি চালাতে হয় পুলিশকে।

এই ঘটনার জেরে সকাল থেকেই বন্ধ এলাকার দোকানপাট। শুনশান রাস্তা। স্কুলগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বারবার এভাবে গুলি-বোমার লড়াইয়ে ত্রস্ত ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়ার বাসিন্দারা। এদিনের ঘটনা নিয়েও চলছে শাসক বিরোধী তরজা৷