নয়াদিল্লি: নবমীর রাতে দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে খুন হন তৃণমূল নেতা কুরবান আলি শা। এবার সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়াল বিজেপি নেত্রী তথ আপ্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষের।

সেই খুনের ঘটনায় বিজেপি নেতা আনিসুর রহমান জড়িত বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও খুনের পর সাতদিন কেটে গেলেও তাঁকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অন্যদিকে সিআইডি নয়, জেলা পুলিশ এই খুনের কিনারা করতে পারবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

নবমীর রাতে খুন করা হয় পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি কুরবান আলি শাকে। গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকে। দলীয় কার্যালয়ে বসে ছিলেন তিনি। সেই সময়ে দুষ্কৃতীরা ঢুকে গুলি করে তাকে। শুরু থেকেই তৃণমূলের অভিযোগ ছিল স্থানীয় বিজেপি নেতা আনিসুর রহমান এই খুনের পিছনে রয়েছেন।

কুরবানের স্ত্রী’র অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনে প্রচারে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ কুরবার আলি শাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তারপর এই খুনের ঘটনা।

কুরবানের পরিবার এই খুনের ঘটনার সিআইডি তদন্ত দাবি করেছিল আগেই। পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন সিআইডি সিট গঠন করে তদন্ত করা হবে। মন্ত্রীর কথা মতো সিট তদন্তে নেমেছে। কুরবানের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ জমা হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে এবং তৃনমূল নেতা কুরবানের খুনের ঘটনায় আর কে কে জড়িত আছে তাঁদেরকেও খুব শীঘ্রই ধরে ফেলা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ।