লখনউ: ‘ভারত মাতা কী জয়’ ধ্বনি দেওয়া মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ৷ এমনই ফতোয়া দিল দেওবন্দের দারুল উলুম৷ উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দের এই প্রতিষ্ঠান দেশের মুসলিমদের ধর্মীয় রীতিতে শিক্ষা দানের অন্যতম কেন্দ্র৷ দারুল উলুমের বিবৃতি, ভারতকে ভালবাসা আর ভারত মাতা কী জয় ধ্বনি দেওয়া এক বিষয় নয়৷ কারণ ইসলামে মুর্তি পুজো নিষিদ্ধ৷ তাদের যুক্তি, দেশের একাংশ ভারতমাতাকে একজন দেবী রূপে পুজো করে৷ আর মুসলিমরা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখে। তাই তারা অন্য কাউকে উপাসনা করতে পারে না।

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারত বিরোধী স্লোগান দেয়ার অভিযোগকে ঘিরে বিতর্ক চলছে৷ এর জেরে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত নতুন প্রজন্মকে ভারত মাতা কী জয় স্লোগান দিতে বলেছিলেন৷ পাল্টা প্রতিক্রিয়া অল ইন্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ভারত মাতার জয় ধ্বনি দিতে অস্বীকার করেন৷ তাঁর যুক্তি, সংবিধানে কোথাও এই ধ্বনি দেওয়ার কথা লেখা নেই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.