হায়দরাবাদ: করোনার প্রতিষেধক বাজারে আনার ক্ষেত্রে কোনওরকম তাড়াহুড়ো করতে চায় না হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক। সংস্থার কর্ণধার সাফ জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই তাঁদের প্রতিষেধকের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ হয়ে গিয়েছে। এরপর ধাপে-ধাপে ট্রায়ালের বাকি পর্যায়গুলিও শেষ করা হবে। প্রতিষেধকের কার্যকারিতা সম্পর্কে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়ার পরেই প্রয়োজনীয় সমস্ত বিভাগের অনুমোদনের পর বাজারে আনা হবে ‘কোভ্যাক্সিন’।

মাত্র এক মাসের মধ্যেই হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক মানব দেহে ‘কোভ্যাক্সিন’-এর প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ করেছে। ভারত বায়োটেকের কর্ণধার কৃষ্ণা এল্লা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতিষেধকের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ হয়েছে।

এরপর ধাপে ধাপে বাকি পর্যায়গুলিও শেষ করা হবে। ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়ার পরেই প্রয়োজনীয় সমস্ত বিভাগের অনুমোদনের পর বাজারে আনা হবে ‘কোভ্যাক্সিন’। করোনার প্রতিষেধক বাজারে আনার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

গোটা দেশে কাঁপুনি ধরিয়েছে নোভেল করোনাভাইরাস। দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ হাজারের বেশি মানুষ।

পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে ১ হাজারেরও অধিক সংখ্যায়। দেশে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২২ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৫ জন। দেশজুড়ে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৪৪ হাজার ৩৮৬।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে একমাত্র ভ্যাকসিন। যত দ্রুত বাজারে ভ্যাকসিন আসবে, ততই করোনার সংক্রমণ কমবে, একইসঙ্গে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যাও কমবে। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের দিকে। বিশ্বের তাবড় দেশের বিজ্ঞানীরা করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে দিন-রাত গবেষণা-পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন।

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজে পিছিয়ে নেই ভারতও। ইতিমধ্যেই দেশের দুটি সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে। তাদেরই একটি হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক। তবে ভ্যাকসিন বাজারে আনার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করতে নারাজ সংস্থাটি। সংস্থার কর্ণধারের দাবি, এতে ফল উল্টো হতে পারে।

ভারত বায়োটেকের কর্ণধার কৃষ্ণা এল্লা জানিয়েছেন, মানুষের সুরক্ষার দিকটিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রতিষেধকটি যাতে সব দিক দিয়ে নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে তাঁর সংস্থা। প্রতিষেধকের কার্যকারিতা সম্পর্কে ১০০ ভাগ নিশ্চিত হলে, একমাত্র তবেই বাজারে আনা হবে সেটি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা