নয়াদিল্লি:  ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমণ। ঠান্ডা পড়লেই করোনার সংক্রমণ আরও বাড়বে। এমনটাই আশঙ্কা ডাক্তারদের। আর সে কারণে এখন থেকেই সাধারণ মানুষকে সাবধান থাকার কথা বলা হচ্ছে। অন্তত ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সোশ্যাল ডিসটেন্স, মাস্ক পড়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে এরই মধ্যে কিছুটা হলেও আশার কথা শোনা যাচ্ছে।

আগামী বছরের জুনের আগেই ভ্যাকসিন আনার জন্যে জোর কদমে চলছে লড়াই। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন কোভ্যাক্সিন তৈরি করছে ভারত বায়োটেক।

আর তা যাতে জুনের আগেই ভারতের বাজারে নিয়ে আসা যায় সেই কারণে দিন-রাত এককরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সরকার জরুরিকালীন ভিত্তিতে আগেভাগে ছাড়পত্র না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আগামী বছরের জুনের মধ্যে আসবে কোভ্যাক্সিন।

দেশের ২৫ থেকে ৩০ টি জায়গায় এই পরীক্ষা করা হবে এবং এ ব্যাপারে প্রত্যেক স্থানের ক্ষেত্রে এথিক্স কমিটির অনুমোদন পাওয়ার ব্যাপারে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসাদ। এই স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে দিল্লি, মুম্বই, পটনা ও লখনউয়ের মতো শহর।

ভারত বায়োটেক ছাড়াও দেশে তৈরি আরও এক সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের মানবদেহে দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে জাইডাস ক্যাডিলা লিমিটেড।

পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট অক্সফোর্ডের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরির জন্য অ্যাস্ট্রা জেনিকার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ভারতে এখন ওই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের পরীক্ষার কাড চলছে এই ভ্যাকসিনের।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I