স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ব্রিগেড সমাবেশে আসার পথে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের এলাকা ভাঙড়ে তৃণমূলের উপর হামলার অভিযোগ উঠল আব্বাস সিদ্দিকির দল ISF সমর্থকদের বিরুদ্ধে৷ ঘটনায়উভয়পক্ষের অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন বলে খবর।

রবিবার সকালে ভাঙড় থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের কর্মী, সমর্থকদের গাড়ি আটকানো হয়। দুর্গাপুরের কাছে তাঁদের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। উভয়পক্ষের অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের উদ্ধার করে নলবড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। যদিও সংঘর্ষ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি কোনও পক্ষই। থানায় কোনও অভিযোগও দায়ের হয়নি।

গত বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় বিধানসভা আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতেছিলেন রেজ্জাক মোল্লা। এখানে ততদিনই সিপিআইএমের সংগঠন শক্তিশালী ছিল, যতদিন রেজ্জাক মোল্লা দলে ছিলেন। কিন্তু এখন আর রেজ্জাক নেই। আলিমুদ্দিল সূত্রে খবর, এবার ভাঙড় আসনটি আব্বাসের দলকে ছাড়তে চাইছে তারা। তাদের দিয়েই ভাঙড় থেকে রেজ্জাক কাঁটাটি তুলতে চাইছেন বিমান বসু, সূর্য মিশ্ররা। তাই ব্রিগেডের দিন এই সংঘর্ষ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

উনিশের লোকসভা ভোটের আগেও ব্রিগেড সমাবেশ করেছিল বামেরা। একুশের ভোটে অবশ্য রাজনৈতিক সমীকরণ খানিকটা বদলেছে। একা বাম নয়, এবার ব্রিগেডের মেগা প্রচারে রয়েছে বাম, কংগ্রেস, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতারা। কারণ, এই তিন দল এবার জোট বেঁধে তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে। জনসভায় টার্গেট ১০ লক্ষ। বাম কর্মী, সমর্থকদের ইতিমধ্যেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে – ‘আপনি আসুন, সঙ্গে আরও ২ জন।’ রবিবার ব্রিগেডের ভিড় বলছে, সেই বার্তা ঠিকমতোই সাধারণ মানুষের কানে পৌঁছেছে৷

বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব এসে পৌঁছনোর আগে থেকেই ব্রিগেড ভরে গিয়েছে। জেলা থেকে প্রচুর মানুষ এসেছেন। হাওড়া থেকে লঞ্চে চেপে বাবুঘাট হয়েও ব্রিগেডে ঢুকছেন বহু মানুষ। ঢোল-মাদল বাজিয়ে ব্রিগেডে জলসাও শুরু হয়েছে। কারও গলায় আবার ঝুলছে ‘টুম্পা এসে গিয়েছি’ প্ল্যাকার্ড। বাম-কংগ্রেস এবং আইএসএফ-এ পতাকায় ছেয়ে গিয়েছে গোটা ব্রিগেড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.