গ্যাংটক: COVID-19 সংক্রমণ ঠেকাতে ত্রস্ত গোটা দেশ। এদেশে ব্যাপক হারে বাড়ছে মারণ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে করোনা আক্রান্তের নিরিখে প্রথম তিনটি স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র, কেরল ও নয়াদিল্লি। সেই নিরিখে কিছুটা নিরাপদ সিকিম। আপাতত উত্তর-পূর্বের রাজ্যটিতে করোনা সংক্রমণের কোনও খবর নেই। কিন্তু পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে এখন যত মাথাব্যাথা সিকিমের।

করোনার প্রকোপ ঠেকাতে দেশে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। আর এরইমধ্যে সিকিমে আটকে রয়েছেন বাংলা ও বিহারের একাধিক পরিযায়ী শ্রমিক। তারা বাড়ি ফিরতে চাইলেও সে উপায় নেই। সংক্রমণ এড়াতে সিকিম সরকার সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ, বাইরের রাজ্য থেকে এই মুহূর্তে সে রাজ্যে যেমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না, তেমনই সিকিম থেকেও এই মুহুর্তে বেরনোর উপায় নেই কারও। স্বাভাবিক ভাবেই সমস্যায় পরিযায়ী শ্রমিকেরা। তাদের থাকা-খাওয়ার সমস্যা এমন উদ্বেগের সময় সবচেয়ে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের সেই দুর্দশার কথা কানে পৌঁছতেই উদ্যোগী হলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া। সূত্রের খবর, সিকিমে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা কানে পৌঁছতেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ‘পাহাড়ি বিছে’। খবর পাওয়া মাত্র তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তাঁর ফুটবল ক্লাব ইউনাইটেড সিকিমের কর্তাদের। তাদংয়ে বাইচুং’য়ের নির্মীয়মান বহুতলে এরপর স্থান হয়েছে প্রায় শতাধিক শ্রমিকের।

এখানেই শেষ নয়। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তা দিয়ে পাহাড়ি বিছে জানান, এখনও যদি কেউ বাসস্থানের অভাবে ভোগেন তবে যোগাযোগ করতে। এক ভিডিওবার্তায় বাইচুং ইউনাইটেড সিকিমের সিনিয়র ম্যানেজার অর্জুন রাইয়ের ফোন নম্বরও প্রদান করেন। এই সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে যোগাযোগ করতে চাইলে আটকে পড়া শ্রমিকেরা ৯৪৩৪১১৭৪৬৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদং’য়ের লামসেতে তাঁর বাড়ির দরজা পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য সবসময় খোলা, জানিয়েছেন বাইচুং।