ঢাকা: ভারতের ত্রিপুরা লাগোয়া সাতছড়ি বনাঞ্চলে ফের অভিযানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। মঙ্গলবার রাত থেকে এই অভিযান চলছে। সূত্রের খবর, পরিত্যক্ত জঙ্গি ডেরা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

সীমান্তের ওদিকে ত্রিপুরার উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় নির্বাচন। এই নির্বাচন ঘিরে ফের সেই রাজ্যের জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটি সক্রিয়। বেশ কয়েকজন জঙ্গি ধরা পড়েছে। সেখানে পাহাড়ি এলাকার গ্রামে গ্রামে চলছে জঙ্গি হুমকি।

আর সীমান্তের এদিকে বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা। সেখানকার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ফের অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। কী পরিমাণ অস্ত্র মিলেছে, তা স্পষ্ট করেনি বিজিবি। সূত্রের খবর, বেশ কিছু রকেট শেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের হবিগঞ্জ ক্যাম্পের লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরীর নেতৃত্বে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যোনের গহীন অরণ্যে অভিযান হয়। মাটি খুঁড়ে জঙ্গিদের ব্যাংকারে মজুত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জার মাহমুদ হাসান জানান, মঙ্গলবার সন্ধে থেকে বিজিবি অভিযান চালাচ্ছে।

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার তাঁর সরকারের আমলে বিস্ফোরক দাবি করেন-বাংলাদেশ সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিরা। তাঁর এমন দাবির পরে ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চাঞ্চল্য পড়েছিল। পরে বাংলাদেশ সরকার টানা অভিযান চালায় সীমান্তের সাতছড়ি অরণ্যে।

বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্য ভারতের আলফা, এনএলএফটি, এটিটিএফ এবং কেএলও সংগঠনের ঘাঁটি ছিল। ত্রিপুরা ও অসমে রক্তাক্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংঘর্ষের সময় এই এলাকা ছিল জঙ্গিদের ঘাঁটি। সম্প্রতি ত্রিপুরায় ফের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএলএফটি সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, একটি বেটাগান, ছয়টি এসএলআর, একটি অটোরাইফেল, পাঁচটি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।

ওই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে ৪র্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি নট ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়।

৫ম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। সবশেষ ৬ষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।