নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে চলছে কনোরা টিকাকরণ। এখনও পর্যন্ত ১.৩ কোটি ভারতীয় নাগরিককে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। দেশের মধ্যে ১০ শতাংশ করোনা টিকা এই রাজ্যকেই সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এখানে টিকাকরণের হার বা প্রতি মিলিয়ন জনসংখ্যায় ভ্যাকসিন দেওয়ার সংখ্যা সর্বনিম্ন।

এই তালিকায় প্রথম পাঁচে রয়েছে দিল্লি। এখানে প্রতি মিলিয়নে ২০ হাজার ১৮৫ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তালিকায় সবচেয়ে শেষে রয়েছে বিহার। এখানে প্রতি মিলিয়নে মাত্র ৪ হাজার ৮১৪ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ২৬ লক্ষ ৭১ হাজার ১৬৩ জন করোনার টিকা পেয়েছেন। ভারতে এখনও পর্যন্ত দুটি ভ্যাকসিন ছাড়পত্র পেয়েছে। সেগুলি কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন। রাজ্য় অনুযায়ী ভ্যাকসিনেশনের তথ্য বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসছে। সাধারণ যে রাজ্যগুলিতে বেশি সংখ্যায় সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেখানে ভ্যাকসিন বেশি সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্য়ে দুটি রাজ্য রয়েছে যেখানে সংক্রমণ বেশি হলেও ভ্যাকসিন দেওয়ার হার অত্যন্ত কম।

মহারাষ্ট্রে এখন করোনা সংক্রমিত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্য়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লক্ষ ২৯ হাজার ৮২১ জন। যে ১০টি রাজ্য থেকে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের খবর মিলেছে তার মধ্যে রয়েছে কেরল, কর্ণাটক, অন্ধ্র প্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও রাজস্থান। ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেওয়া হয়েছে উত্তর প্রদেশকে। এর পর রয়েছে যথাক্রমে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক, মধ্য প্রদেশ, বিহার, অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা।

লাক্ষাদ্বীপে সবচেয়ে কম করোনা ভ্য়াকসিন দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২ হাজার ৯৮২টি ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া দাদরা ও নগর হাভেলি, দমল ও দিউ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, লাদাখ, পুদুচেরিতেও ভ্যাকসিন কম সরবরাহ করা হয়েছে। লাক্ষাদ্বীপে দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে। এখানে সংক্রমণও হয়েছে কম। তা সত্ত্বেও এখানে ভ্য়াকসিন বেশি পাঠানো হয়েছে। এখানে প্রতি মিলিয়নে ৪০ হাজার ৭৬০ জন মানুষ করোনা ভ্য়াকসিন পেয়ছে।

এরপর যে রাজ্যগুলি সংক্রমণ অপেক্ষাকৃত কম হওয়া সত্ত্বেও ভ্যাকসিন বেশি পেয়েছে সেগুলি হল লাদাখ, ত্রিপুরা, সিকিম, দিল্লি ও মিজোরাম। সবচেয়ে কম টিকাকরণ হয়েছে বিহারে। এরপর রয়েছে উত্তর প্রদেশ। যদিও এই রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা কম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।