মেলবোর্ন: তলপেটের যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে তৃতীয় রাউন্ডে পাঁচ সেটের থ্রিলার জিতেছিলেন। কোয়ার্টারে পৌঁছে জানিয়েছিলেন, গ্র্যান্ড স্ল্যাম না হলে সরে দাড়াতেন নির্ঘাত। আর বৃহস্পতিবার চেনা মেজাজে ফাইনাল নিশ্চিত করে নোভাক জকোভিচ জানালেন, চলতি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এটাই তাঁর এখনও অবধি সেরা অনুভূতি। রড লেভার এরিনায় এদিন অবাছাই আসলান কারাতসেভকে হারাতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি সার্বিয়ান তারকাকে। রাশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালের টিকিট ছিনিয়ে নেন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জকোভিচ।

রোড লেভার এরিনায় এদিন ম্যাচ জিতে ‘জোকার’ বলেন, ‘চলতি টুর্নামেন্টে এটাই আমার সেরা অনুভূতি বলে মনে হচ্ছে।’ আটবার রড লেভার এরিনায় খেতাবজয়ী সার্বিয়ান তারকা আরও বলেন, ‘দারুণ অনুভূতি। আমি বল দিব্যি সুইং করাতে পারছিলাম। কোনও ব্যথা নেই। এখনও অবধি সেরা ম্যাচ। আর সেটা সঠিক সময়েই এল।’ এদিন রাশিয়ান কারাতসেভের বিরুদ্ধে জোকারের পক্ষে ম্যাচের ফল ৬-৩, ৬-৪, ৬-২।

প্রথম সেটে এদিন প্রথম সাতটা গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে দু’জনের। কিন্তু এরপর টানা আটটি গেম জিতে প্রথম সেট মুঠোয় ভরেন ১৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। দ্বিতীয় সেটে লড়াইটা আরও তীব্র হচ্ছিল সার্বিয়ানের জন্য। ঠিক সেসময় গ্যালারি থেকে জনসমর্থন পেয়ে মেজাজে ধরা দেন জোকার। ৬-৪ সেটে দ্বিতীয় সেট জিতে নেওয়ার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি গতবারের চ্যাম্পিয়নকে। তৃতীয় সেটে রাশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীকে কোনওরকম লড়াইয়ের সুযোগ না দিয়ে ৬-২ ব্যবধানে জিতে ম্যাচের ইতি টানেন জকোভিচ।

প্রবল জনসমর্থন পেয়ে ম্যাচ শেষে জকোভিচ বলেন, ‘এই গ্র্যান্ড স্ল্যামের সঙ্গে আমার ভালোবাসার রসায়নটা চলতেই থাকবে। এখানে আমি যত ম্যাচ জিতি তত যেন অনুভূতি গাঢ় হয়।’ তবে রবিবার ফাইনালের জন্য এনার্জি বাঁচিয়ে রাখতে হবে বলেও ম্যাচের পর জানিয়েছেন তিনি। জকোভিচের কথায়, ‘সম্পূর্ণ সেরে ওঠার প্রক্রিয়া এখনও আমার কাছে সর্বাগ্রে প্রাধান্য। আমি ভাল খেলছি। অনেক ম্যাচ খেলেছি, যথেষ্ট প্র্যাকটিস করেছি। এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জমিয়ে রাখতে হবে।’

গ্রীসের সিৎসিপাস এবং রাশিয়ার মেদভেদেভের মধ্যে বিজয়ীর সঙ্গে রবিবার ফাইনালে মুখোমুখি হবেন জকোভিচ। তার আগে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে পুরুষ সিঙ্গলসের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.