পানাজি: আইএসএলের দ্বিতীয় ম্যাচেও পুরো পয়েন্ট তুলে নিতে ব্যর্থ বেঙ্গালুরু এফসি। প্রথম ম্যাচে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও আটকে যেতে হয়েছিল। শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচেও হায়দরাবাদ এফসি’র কাছে আটকে গেল ব্লুজ’রা। ফতোরদা স্টেডিয়ামে এদিন বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্যভাবে।

ওডিশার বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাওয়া দলের প্রথম একাদশে এদিন জোড়া পরিবর্তন এনেছিলেন হায়দরাবাদ কোচ ম্যানুয়েল রোকা। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু কোচ গত ম্যাচের একাদশ অপরিবর্তিত রেখেই এদিন মাঠে নেমেছিলেন। দু’দলই কিছুটা রক্ষণাত্মক নীতি নিয়ে খেলা শুরু করে। হায়দরাবাদ বল পজেশনের নিরিখে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে বেঙ্গালুরুর জমাট রক্ষণের সামনে সেই অর্থে বিশেষ কোনও সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয় তারা। একটি মাত্র ক্ষেত্রে লুইস সাস্ত্রের বাঁক খাওয়ানো ফ্রি-কিক থেকে গত ম্যাচের গোলস্কোরার আরিদেন সান্তানর একটি হেড রক্ষা করেন বেঙ্গালুরু গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধু।

চিন্তা বাড়িয়ে প্রথমার্ধে চোটের কারণে জোড়া ধাক্কা নেমে আসে হায়দরাবাদ শিবিরে। জোয়েল চিয়ানসে এবং সাস্ত্রে দু’জনেই চোট পেয়ে মাঠের বাইরে বেরিয়ে যান। উদান্তার সঙ্গে সংঘর্ষে গোড়ালির চোটে ৩৫ মিনিটে প্রথমে বেরিয়ে যান চিয়ানসে। এরপর প্রথমার্ধ শেষের ঠিক আগে সাস্ত্রে হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যা নিয়ে মাঠ ছাড়েন। স্বাভাবিকভাবেই দুই বিদেশিকে হারিয়ে বিরতির পর কিছুটা নিজেদের গুটিয়ে নেয় হায়দরাবাদ। অন্যদিকে বিরতির পর দিমাস দেলগাডো এবং দেশর্ন ব্রাউনকে এনে আক্রমণে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করে বেঙ্গালুরু।

কিন্তু তবুও হায়দরাবাদ ডিফেন্সকে কড়া চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলতে ব্যর্থ হয় বেঙ্গালুরু। ফাইনাল থার্ডে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন ব্লুজ ফুটবলাররা। দু’টি ক্ষেত্রে দেশর্ন ব্রাউন হাফ-চান্স পেলেও হায়দরাবাদ ডিফেন্ডারদের তৎপরতায় বিপক্ষের লকগেট ভাঙা সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে। শেষ অবধি কোনও দলই গোল করতে না পারায় নিষ্প্রাণ ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থাতে।

এই ড্র’য়ের ফলে দু’ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে আপাতত লিগ টেবিলে তিন নম্বরে হায়দরাবাদ এফসি। অন্যদিকে প্রথম দু’ম্যাচে জয় পেতে ব্যর্থ বেঙ্গালুরু এফসি দু’পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে আপাতত ছ’নম্বরে। আগামী শুক্রবার বেঙ্গালুরু মুখোমুখি হবে চেন্নাইয়িন এফসির। অন্যদিকে আগামী বুধবার তৃতীয় ম্যাচে জামশেদপুর এফসি’র মুখোমুখি হবে হায়দরাবাদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।