সৌমিক কর্মকার: ১০০৭ কিলোমিটার৷ কম পথ নয়৷ অথচ সেই পথই পায়ে হেঁটে পার করলেন চন্দন বিশ্বাস৷ উত্তর ২৪ পরগনার হৃদয়পুরের এই যুবক টানা ৪৬ দিনে শেষ করে ফেলেছেন এতটা পথ৷

শুরু করেছিলেন ১৩ জুলাই৷ শেষ করলেন আজ, বুধবার, ২৮ অগস্ট৷ আর এই সময়ের মধ্যে তিনি হাঁটলেন নর্মদা নদীর পাড় ধরে৷ গুজরাটের ভালুচের কাছে গাল্ফ অফ খাম্বাট থেকে৷

আরও পড়ুন: সিন্ধুর সোনা হাতছাড়ায় আক্ষেপ নেই মায়ের

তার পর কখনও নর্মদার উত্তর পাড়, কখনও দক্ষিণ পাড় ঘুরে শেষ করলেন অমরকণ্টকে ‘মাই কি বাগিয়া’-তে৷ মধ্যপ্রদেশের ওই জায়গাতেই নর্মদার উৎসস্থল৷ আজ, সকাল দশটায় সেখানে পৌঁছন সোনারপুর আরোহীর এই সদস্য৷

অভিযান শেষ করার কিছুক্ষণ আগেই অনেক চেষ্টার পর ফোনে ধরা গিয়েছিল চন্দন বিশ্বাসকে৷ এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে বেশ উত্তেজিতও মনে হল৷ তাঁর কথায়, প্রায় দেড় মাসের অভিযানে তিনি পেরিয়েছেন চারটি রাজ্য৷ শুরু করেছিলেন গুজরাট থেকে৷ তার পর মহারাষ্ট্র পেরিয়ে মধ্যপ্রদেশে চলে আসেন৷ সেখান থেকে ছত্তিশগড় হয়ে আবার মধ্যপ্রদেশ৷

আরও পড়ুন: breakingNews: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা

আরও পড়ুন: ‘জলে অক্সিজেন বাড়ায় হাঁস, ফলে বাড়ে মাছের সংখ্যা’

নর্মদা নদীর ধার ধরে উলটোমুখে হেঁটে চলাটা মোটেও ট্র্যাডিশনাল ট্রেকরুট নয়৷ পথেই তিনটি জঙ্গল রয়েছে৷ শূলপানেশ্বর, পুনাশা ও অমরকণ্টক৷ সব মিলিয়ে প্রায় ছশো কিমি রাস্তা৷ তাছাড়া দু’দিকে দু’টি পর্বতমালাও রয়েছে সাতপুরা ও বিন্ধ্য৷ ফলে এমন একটা রাস্তা পেরতে পারা সত্যিই একটা অ্যাচিভমেন্ট৷

আরও পড়ুন: Breaking…৮০০ মিটারে ভারতের সোনা ও রুপো

আরও পড়ুন: বিজেপি ঠেকানোর অস্ত্রেই মান বাঁচানোর চেষ্টা অভিষেক বাহিনীর

সেই লক্ষ্যপূরণ করার পর জানালেন, নর্মদার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম৷ দেশের একমাত্র নদী, যা আড়াআড়ি ভাগ করেছে ভারতকে৷ বলা যায় নর্মদাই দক্ষিণ ভারত ও উত্তর ভারতের মধ্যে একইসঙ্গে বিভাজন ও মেলবন্ধন ঘটিয়েছে৷ তাই এমন একটি অভিযান সফল করতে পেরে তিনি স্বাভাবিকভাবেই খুশি৷

আরও পড়ুন: চিরতরের জন্যে বন্ধ হোক সুখটান! রইল সমাধান