কলকাতা: শুক্রবার মানেই আড্ডা, মজা, পার্টি, মুভি৷ আর ফিল্ম মানেই তো সিনেপ্রেমীদের দিন৷ তাদের জন্যই রয়েছে বিশেষ খবর৷

খবর বললে ভুল হবে, সিনেপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিতে এলাম কাল মুক্তি পাচ্ছে ‘আহারে মন’৷ ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো না সম্ভব না হলেও, অফিসের ব্যস্ততা কাটিয়ে ছবির নাইট শো বুক করে নিতে পারেন৷ নানা মনের রঙে রাঙা হয়ে উঠবে বাঙালি৷ এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পরিচালক প্রতীম ডি গুপ্ত৷

পর্দার চরিত্রের মন। বাস্তব দুনিয়ার মন। ভাবঘুরে মন। বৃদ্ধ বয়সে ছেলেমানুষি মন। খেয়ালি মন। নানা মনের কোলাজে এ বর্ষায় মন ফেরারি। আজ আষাড়ে ধোঁয়া ওঠে কফি মগের সঙ্গে ‘মন কেমনের মনতাজ’ নিয়ে সামনে এল ‘আহারে মন’ ট্রেলার। যা প্রথম ঝলকই মন ছুঁয়ে গিয়েছে সিনেপ্রীদের। সঙ্গে মনে ধরেছে টলিউডেরও। একের পর এক মন ভালো করা ট্যুইটে আসছে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাছে থেকে।

মন বোঝা বড় কঠিন। কারণ মন কখনও পাগল। কখনও সে অবুঝ। আবার কখনও অচেনা। হরেক মনের ইতিকথা দিয়ে তৈরি প্রতীমের ‘আহারে মন’। ষাট সেকেন্ডের ট্রেলারে বন্দি হয়েছে মনের নানান মুহূর্ত। সঙ্গে কখনও এসেছে পার্নো। কখনও অঞ্জন চৌধুরী আবার কখনও পাওলি, মমতা শঙ্কর আদিল হুসেন, অঞ্জন দত্ত, ঋত্বিক চক্রবর্তী ও চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তী। আর এসেছে তাঁদের মনের নানা কথা।

আলাদা আলাদা গল্পকে এক তারে বাঁধতে ভালোবাসেন পরিচালক। এবারেও তাঁর অন্যথা হয়নি। তিনি জানিয়েছেন, “চারটে আলাদা লভ স্টোরি। কিন্তু কানেক্টেড। কোথাও গিয়ে একটাই গল্প হয়ে যায়। যাঁদের হয়তো আমরা প্রেমের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েট করি না, এটা তাঁদের প্রেমের গল্প।”

তাইতো গল্পের মিশেলের সঙ্গে ‘আহারে মন’-এ থাকছে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের জোরদার পাঞ্চ। পরিচালকের কথায়, “আহারে মন আসলে সেলিব্রেশন অব গ্রেট অ্যাক্টিং। আমাদের যত ভালো ভালো অভিনেতা রয়েছেন, তাঁদের ভালো অভিনয়ের সেলিব্রেশন। একমাত্র আদিল ছাড়া সকলের সঙ্গেই আগে কাজ করেছি। প্রত্যেককে ভেবেই চরিত্রগুলো লেখা।”

‘পাঁচ অধ্যায়’ দিয়ে সিনেপর্দায় হাতেখড়ি প্রতীমের। তবে ছক্কা হাঁকান ‘সাহেব বিবি গোলাম’ রসায়নে। তারপর বাঙালির বিনোদনের পাতে পরিবেশন করেন সুস্বাদু ‘মাছের ঝোল’। যা চেটেপুটে খান দর্শকরা। আর এবার পেট থেকে সোজা মনে ঢুকছেন পরিচালক। সিনেমার পর্দা আলো করে আগামীদিন আসতে চলেছে প্রতীমের এই মনের কোলাজ।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।