কলকাতা: আবারও ভিনরাজ্য থেকে বাড়ি ফেরার পথে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু। মুম্বই থেকে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে মৃত্যু হল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে উদ্ধার পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ। দেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। খুন বলে অভিযোগ পরিবারের। হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থানায় অভিযোগ দায়ের পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের।

একটানা লকডাউনের জেরে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক আটকে রয়েছেন। পরিযায়ীদের নিজেদের রাজ্যে ফেরাতে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালু করেছে রেল। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি বাসে পরিযায়ীদের নিজেদের রাজ্যে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে। এভাবে গত কয়েকদিনে ট্রেনে ও বাসে লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফিরে এসেছেন।

হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের পাতিয়ালের বাসিন্দা শেখ মইদুল আলি। মুম্বইয়ে জরির কাজ করতে গিয়েছিলেন মইদুল। করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ায় মুম্বইয়ে আটকে পড়েছিলেন তিনি।

২২ মে স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁর। ফোনে পরিবারের সদস্যদের জানান, বাড়ি ফেরার জন্য বাসে উঠছেন তিনি। ২৪ মে শেষবার তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হয় পরিবারের। তারপর থেকে মইদুলের ফোন সুইচড অফ।

ভিনরাজ্যে মইদুলের সঙ্গে যোগাযোগ চ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে তাঁর পরিবার। ২৭ মে ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে মইদুলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। রাঁচিতে রাস্তার ধারে মইদুলের দেহ উদ্ধারের খবর জানানো হয় পরিবারকে। জানা যায়, ওই শ্রমিকের দেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশের তৎপরতায় নিহত শ্রমিকের দেহ ফিরিয়ে আনা হয়।

মইদুলকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের। জগৎবল্লভপুর থানায় তাঁর পরিযায়ী শ্রমিক বন্ধুদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প