ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: একুশে বাংলা জয়ের টার্গেট নিয়েছেন অমিত শাহরা। তার আগে বঙ্গবাসীর মন জয় করতে চাইছেন তাঁরা। শোনা যাচ্ছে, মোদীর মন্ত্রীসভায় বাংলা থেকে আরও দুজন মন্ত্রী জায়গা পাচ্ছেন।

গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ওই তালিকায় মুকুল রায়ের নাম আছে। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮টি আসন পেলেও মাত্র ২ জন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছিল রাজ্যবাসী। এর মধ্যে আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় আগে থেকেই মন্ত্রী ছিলেন। ২০১৯-এ বাংলায় দারুন রেজাল্ট করে শুধুমাত্র রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীকে মন্ত্রী করেন মোদী-শাহরা। বিজেপি সেই সময় বলেছিল, পশ্চিমবঙ্গে জিতে আসা সাংসদরা সবাই আনকোরা। সংসদীয় রাজনীতি সম্পর্কে তাঁদের অভিজ্ঞতা খুব কম। তাই কিছুদিন পর তাদের মন্ত্রী করা হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই তখন বলেছিলেন, একুশে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই ট্রাম্প কার্ড খেলতে পারেন মোদী-শাহরা। আর সেটাই হতে চলেছে বলে শোনা যাচ্ছে। এদিকে, মন্ত্রী হওয়ার চর্চায় যাঁদের নাম উঠে আসছে, মুকুল রায় তাঁদের এক জন। বাকিদের মধ্যে শান্তনু ঠাকুর, জন বারলা, সুকান্ত মজুমদারের নাম শোনা যাচ্ছে। নাম শোনা যাচ্ছে ঝাড়গ্রামের সাংসদ কুনার হেমব্রমের।

সূত্রের খবর, বিজেপির রাজ্য কমিটিতে যারা জায়গা পেয়েছেন তাদের বাদ দেওয়া হচ্ছে। দিলীপ ঘোষ বা লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো কেউ প্রথম দফায় মন্ত্রী হবেন বলে দলেই কোনও কোনও মহল ধরে নিয়েছিল। তা হয়নি। বরং, সম্প্রতি দিলীপ ঘোষের রাজ্য সভাপতি পদের মেয়াদ আর এক দফা বেড়েছে। আর দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন লকেট। বিজেপিতে যোগদানের পর থেকে মুকুল রায়কে এখনও তেমন কিছু দেয়নি বিজেপি। তাঁকে কার্যকরী সমিতির সদস্য করে রাখা হয়েছে। ।

বিজেপির অন্দরের খবর, মুকুল ফের তৃণমূলে ফেরত যেতে পারেন বলে আশঙ্কা ছিল দলের নেতাদের একাংশের মধ্যে। তাই তাঁকে কোনও পদ বা সুযোগ দেওয়ার আগে বিশ্বস্ততা পরীক্ষা করছিল দল। সেই পরীক্ষায় পাশ করেছেন মুকুল। আর মুকুল পোড় খাওয়া রাজনীতিক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। তাই তাঁর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এব্যাপারে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

 

তিনি বলেন,” আমি মন্ত্রী হবো না আগেই বলে দিয়েছি। এবার যাকে মন্ত্রী করবে করুক। সংগঠনের কাউকে মন্ত্রী করলে তার জায়গায় অন্য লোক আনা হবে। বিজেপিতে লোকের অভাব নেই।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ