রাজকোট: ধারে ও ভারে অনেক এগিয়ে সন্দেহ নেই৷ তাই বলে এমন একাধিপত্য দেখাবে বাংলা, এতটা ভাবাও সম্ভব ছিল না৷ বিশেষ করে টি-২০ ক্রিকেটে যেখানে যে কোনও দলই দু-এক ওভারের ব্যবধানে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে, সেখানে অরুণাচলপ্রদেশের এমন আত্মসমর্পণের ছবি আধুনিক ক্রিকেটে বিরল৷

বিসিসিআই-এর সিনিয়র ওমেনস টি-২০ ট্রফিতে তেমনই দাপট দেখা গেল বাংলার৷ অরুণাচলপ্রদেশকে কার্যত গুঁড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের অভিযান শুরু করল শিবশঙ্কর পালের প্রশিক্ষণাধীন বাংলার মহিলা ক্রিকেট দল৷

আরও পড়ুন: বোর্ড সভাপতি হয়ে প্রথমে কোন কাজটা করবেন, জানিয়ে দিলেন সৌরভ

রাজকোটের সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অরুণাচল৷ নির্ধারিত ২০ ওভার ক্রিজে কাটিয়েও অরুণাচলের মেয়েরা ৬ উইকেট হারিয়ে ২৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি৷ এখনকার দিনে যে কোনও স্তরের দলকে ২০ ওভারে ২৩ রানে আটকে রাখা নিঃসন্দেহে কৃতিত্বের৷

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলার জয় তুলে নিয়ে বিশেষ সময় লাগেনি৷ মাত্র ১৪ বলেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলার মেয়েরা৷ ২.২ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ২৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায় তারা৷ ১০ উইকেটের বড় জয়ে বাংলার বোলারদের সমবেত অবদান থাকলেও আলাদা করে নজর কাড়েন গায়ত্রী মাল৷ লো-স্কোরিং ম্যাচে বল ও ব্যাট হাতে দলের জয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন তিনি৷

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকাকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত

অরুণাচলের হয়ে মাত্র একজন ব্যাটার দু’অঙ্কের রানে পৌঁছতে সক্ষম হন৷ কে পেরমি ১১ রানে নট-আউট থাকেন৷ যদিও ১১ রান তুলতেই ৫৬ বলে খরচ করতে হয় তাঁকে৷ গোটা ইনিংসে অরুণাচলের ব্যাটাররা মাত্র ২টি বাউন্ডারি মারে৷ বাংলার বোলাররা অতিরিক্ত হিসাবে ৪ রান উপহার না দিলে অরুণাচল কুড়ি রানের গণ্ডিও পার করতে পারত না৷

গায়ত্রী ৪ ওভারে মাত্র ৪ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন৷ গৌহর সুলতানা ও মিতা পাল দু’জনে মিলে সাকুল্যে ৫ ওভার বলে করে কোনও রান খরচ করেননি৷ মিতা একটি উইকেটও নিয়েছেন৷

আরও পড়ুন: সৌরভকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি পদের শুভেচ্ছা মমতার

বাংলার হয়ে ওপেন করতে নেমে পারমিতা রায় ২টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১১ বলে ১০ ও গায়ত্রী মাল ২টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩ বলে ৯ রান করে নট-আউট থাকেন৷ বাকি ৮ রান আসে অতিরিক্তের সৌজন্যে৷