কলকাতাঃ  বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন বাংলায়। সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চ-এপ্রিল মাসে এই ভোট হওয়ার কথা। আর সেই লক্ষ্যেই মাঠে নেমে পড়ল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ।

যা চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে কমিশনকে বিশেষ নজর রাখার কথা জানিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। জানা গিয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে অনলাইনেও ভোটাররা আবেদন করতে পারবেন।

আগামী ১৫ জানুয়ারি সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আজ সোমবার সকালে সর্বদল বৈঠক ডাকে কমিশন। সেই মতো কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে দুপুর দুটো থেকে শুরু হয় এই বৈঠক।

করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে ভোট সম্ভব সেই নিয়েও আলোচনা হয়। কিন্তু সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভোটার তালিকা সংশোধন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, ১৮ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হবে৷

৭৮ হাজার ৯০৩ বুথে সংশোধনের কাজ চলবে৷ দুপুর ১২ টা থেকে ৩টে পর্যন্ত ভোটার তালিকা সংশোধন চলবে৷ অনলাইনেও আবেদন করা যাবে৷ কোনও সমস্যায় ১৯৫০ টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করা যাবে৷ ১৫ জানুয়ারি সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ৷

প্রসঙ্গত, সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছেই এই ভোট প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। তবে করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে এই ভোট হবে সেটাই চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের কাছে। যদিও বিহার ভোট যে মডেলে হয়েছে সেভাবেই বাংলায় ভোট করাতে পারে বলে কমিশন সূত্র খবর। আর সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই সর্বদল বৈঠকের ডাক দেয় নির্বাচন কমিশন। করোনা আবহে কীভাবে ভোট পরিচালনা তা নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে।

অন্যদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে হবে এই বিধানসভা ভোট। সংক্রমণের একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কোনও পরিকল্পনা রয়েছে কিনা সে বিষয়ে কমিশন জানতে চায়। দীর্ঘ বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে ভোট হবে সেই বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বিহার মডেলেই বাংলায় ভোট কমিশন করা হতে পারে বলে ইতিমধ্যে ইঙ্গিত মিলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I