দেরাদুন: দু’দিন আগেই ভাইরাল হয়েছিল চিতাবাঘের সঙ্গে পর্যটকদের খেলা করার ভিডিয়ো৷ হিমাচল প্রদেশের এই ছবি দেখে গায়ে কাঁটা দিয়েছিল নেটিজেনদের৷ এবার ভাইরাল ব়য়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গাড়ি ধরে টানাটানি করার দৃশ্য৷

ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর বান্নারঘাট্টা ন্যাশনাল পার্কের৷ ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে একটি সাফারি ধরে টানাটানি করছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুনের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভিডিয়ো৷

প্রায় দেড় মিনিটের এই ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, পর্যটকদের একটি সাফারি গাড়ি দাঁত দিয়ে টানাটানি করছে বাঘটি৷ এত জোড়ে সে গাড়িটি কামড় বসায় যে পিছনের বাম্পারটি উঠে আসে৷ শুধু তাই নয়৷ গড়িয়ে যায় পিছনের চাকা৷ থাবা দিয়ে গাড়িতে স্ক্র্যাচও ফেলে দেয় সে৷ সেই সময় গাড়ির মধ্যে ছিলেন পর্যটকরাও৷ সেই সমেত গাড়ি টেনে নিয়ে যায় বাঘ মামা৷ এর পর দেখা যায় আরও একটি বাঘ বেরিয়ে আসছে ভিতর থেকে৷

এই ভিডিয়োটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল৷ ভিডিওটি বেঙ্গালুরুর বান্নারঘাট ন্যাশনাল পার্কের বলেই মনে করা হচ্ছে৷ যদিও ভিডিয়োটিতে সময় ও স্থান উল্লেখ করা হয়নি৷ ভিডিয়োটি প্রায় ১০ হাজার ভিউ হয়েছে৷ একজন ইউজার বলেন, দেখে মনে হচ্ছে বাঘটি খুবই কিউরিয়াস৷ আবার অপর এক ইউজার বলেন, গতকাল ছিল চিতা বাঘ৷ আর আজ রয়্যাল বেঙ্গল৷

প্রসঙ্গত, গতকাল আরও একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল৷ হিমাচল প্রদেশের কুলু উপত্যকায় এই ভিডিয়োটি তোলা হয়৷ যেখানে দেখা যায়, চিতা বাঘটি কিছু পর্যটকের দিকে এগিয়ে আসছে৷ তার পর তাঁদের সঙ্গে খেলায় মাতে সে৷ দেখে মনে হবে সে যেন বাড়িরই পোষ্য৷ ভয়ঙ্কর একটি বন্য প্রাণীর এহেন আচরণ একেবারেই স্বাভাবিক নয়৷ যা দেখে উদ্বিগ্ন বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ এবং বনকর্মীরা৷ তাঁদের মতে, চিতা বাঘটি হয়তো মানুষের সাহচার্যেই বেড়ে উঠেছে৷ তাই মানুষের উপস্থিতিতে সে অভ্যস্ত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।