ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের যে সব স্কুলে কম শিক্ষক সেখানে ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ কথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ছয় মাসের মধ্যেই তা মুখ থুবড়ে পড়ল৷ সোমবার বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, বিষয়টি এখনও আলোচনা স্তরে রয়েছে৷ একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, জুলাইয়ের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

সোমবার বিধানসভায় ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংশয় প্রকাশ করেন৷ ফলে মমতা সরকারের এই পরিকল্পনা এখন বিশ বাঁও জলে৷ শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে৷ খতিয়ে দেখতে হবে৷ আর এখানেই দেখা দিয়েছে সংশয়৷ ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ অনিশ্চয়তা৷ তবে তিনি এদিন ফের একবার জানান,আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষকদের শূন্যপদ পূরণ করার চেষ্টা করব। অর্থাৎ এসএসসির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রতি তিনি জোড় দেন৷

এবং আরও জানান, ইতিমধ্যেই যে সমস্ত ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে জুলাই-এর মধ্যে তা শেষ করা হবে। যদি না কোনও মামলায় আটকে না যায়৷ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগের ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন৷ কারণ স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষক অনুপাতকে কেন্দ্র করে বহু সময় অভিযোগ ওঠে৷ তাই সমস্যা সমাধানে কলেজ ও ইউনিভার্সিটি পাশ করা পড়ুয়াদের স্কুলে ইন্টার্ন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করার কথা আমরা ভাবছি৷

এছাড়া বিভিন্ন জেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে সেন্ট জেভিয়ার্স মডেল অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেদিন বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেখানেই গঠন করা হয় কমিটি৷ যার সদস্য করা হয় শিক্ষামন্ত্রী. উচ্চ শিক্ষা সচিবকে৷ এছাড়া কমিটিতে রাখা হয়েছে কলকাতা ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে৷

উচ্চ-প্রাথমিকে পড়ানোর জন্য ইন্টার্ন শিক্ষকদের দু’হাজার ও দশম ও দ্বাদশ পর্যায়ে যারা পড়বেন তাদের মাসিক ভাতা আড়াই হাজার টাকা করা হতে পারে৷ দু’বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে এই শিক্ষকদের৷ ইন্টার্নশিপের পর শংসাপত্র দেওয়া হবে ওই ইন্টার্নদের৷ যারা ভালো কাজ করবেন পরবর্তীসময়ে চাকরির ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা হবে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷