কলকাতা: দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়া মসৃণভাবে পরিচালনার জন্য কো-উইন অ্যাপ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সেই অ্যাপে বেশ কিছু ত্রুটি থাকায় টিকাকরণের প্রণ দিনেই সমস্যায় পড়তে হয়েছে একাধিক রাজ্যকে।

ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র সরকার সেই সমস্যার জেরে আজ পর্যন্ত টিকাকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ রেখেছে। কো-উইন অ্যাপ নিয়ে সমস্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারও। ইতিমধ্যেই এই অ্যাপের ত্রুটি মেরামতের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলেছে রাজ্য সরকার।

গত শনিবার থেকে দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণ অভিযান শুরু হয়েছে। প্রথম দফায় প্রায় তিন কোটি ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার, স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকাকরণ প্রক্রিয়া মসৃণভাবে পরিচালনা করতে ‘কো-উইন’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

যে অ্যাপের মাধ্যমে পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখা হবে। টিকা নেওয়ার জন্য ‘কো-উইন’ অ্যাপে স্বেচ্ছায় নথিভুক্তিকরণও করা যাবে। তবে টিকাকরণের প্রথম দিনে এই অ্যাপ নিয়ে সমস্যা পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

টিকাকরণের প্রথম দিনে কলকাতার ১৮টি কেন্দ্রে ‘কো-উইন’ অ্যাপের সাহায্যে টিকাকরণ অভিযান চালাতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের। ‘কো-উইন’ অ্যাপে সমস্যা তৈরি হওয়ায় বাধ্য হয়েই ভ্যাকসিনেশন অফিসাররা দিনের ডেটা অ্যাপে আপলোড করতে না পেরে কাগজে সব তথ্য লিখে রাখেন। পরে এক্সেল স্প্রেডশিটে ডেটা ফিড করতে বাধ্য হন তাঁরা। পরে ভ্য়াকসিনেশন সংক্রান্ত সেই তথ্য ‘কো-উইন’ অ্যাপে আপলোড করা হবে।

রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বলেন, ‘‘কো-উইন অ্যাপে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেই সব সমস্যাগুলির সমাধান করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলছি।” যাঁরা টিকা প্রদানের প্রক্রিয়ায় যুক্ত তাঁরা প্রত্যেকে এই ‘কো-উইন’ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।

যিনি টিকা দেবেন ও যাঁরা টিকা পাবেন, তাঁরা সকলে এই অ্যাপের সুবিধা পাবেন। কিন্তু টিকাকরণের প্রথম দিনেই এই অ্যাপে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বিপত্তি তৈরি হয়। একাধিক রাজ্য বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিযোগ জানায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও রয়েছে সেই তালিকায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।