কলকাতা: প্রতিবছরের ন্যায় প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের সন্ধ্যায় ঘোষিত হল পদ্ম পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা। আর সেই তালিকায় পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপক হিসেবে ঘোষিত হল বাংলার অভিজ্ঞ মহিলা প্যাডলার মৌমা দাস। মৌমার এই সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া বঙ্গের ক্রীড়ামহলে। এর আগে ২০১৩ ‘অর্জুন’ সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন বাংলার এই মহিলা প্যাডলার। এরপর বছর তিনেক আগে কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের দলগত ইভেন্টে সোনা জয় ছিল মৌমার কেরিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী মৌমা সহ পদ্মশ্রী পাচ্ছেন আরও ৭ অ্যাথলিট। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের মহিলা বাস্কেটবল দলনায়িকা অনিতা পোলদুরই, একই মরশুমে দু’বার মাউন্ট এভারেস্ট বিজয়ী অরুণাচল প্রদেশের পর্বতারোহী অংশু জামসেনপা, অ্যাথলেটিক্স কোচ মাধবন নাম্বিয়ার, উত্তরপ্রদেশের অ্যাথলিট সুধা সিং, হরিয়ানার কুস্তিগির বীরেন্দ্র সিং এবং কর্নাটকের প্যারা-অ্যাথলিট কে ওয়াই ভেঙ্কটেশ।

২০১৯ শরথ কমলের পর দেশের দ্বিতীয় টেবিল টেনিস প্লেয়ার হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হতে চলেছেন বাংলার মৌমা। পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হওয়ার খবরে উচ্ছ্বসিত বছর ছত্রিশের মৌমা পিটিআই’কে জানিয়েছেন, ‘২০১৯ আমি মা হয়েছিলাম। এরপর অতিমারি করোনার জেরে আর খেলার সুযোগ হয়নি। তবে এই সম্মান আমাকে বাড়তি উৎসাহিত করবে আগামীতে দেশের হয়ে আরও সম্মান জিততে।’

মৌমার পর দেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অ্যাথলিট হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হতে চলেছেন স্টিপলচেস রানার (৩০০০ মিটার) অলিম্পিয়ান সুধা সিং। যিনি ২০১২ অর্জুন পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন। এশিয়ান গেমসে দেশকে ২টি সোনা এবং ৪টি রুপো এনে দেওয়া জাতীয় রেকর্ডধারী এই দূরপাল্লার দৌড়বিদ ২০১২ এবং ২০১৬ টানা দু’টি অলিম্পিকে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

তালিকায় আরেকটি নাম ১৯৮৫  দ্রোণাচার্য পুরস্কারজয়ী অ্যাথলেটিক্স কোচ মাধবন নাম্বিয়ার। যিনি ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড কুইন পিটি ঊষার কোচ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।