কলকাতাঃ দেশে যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাধারণের মধ্যে আতঙ্ক। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ২১ দিনের লক ডাউন ঘোষণা করেছেন। যদিও এর মধ্যে বেশ কটা দিন কেটে গিয়েছে। দীর্ঘ এই লকডাউনের জেরে ঘরবন্দী গোটা দেশ। আপাতত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই অবস্থা। তাই জিনিসপত্র ঘরে জমিয়ে রাখতে চাইছেন সাধারণ মানুষজন। এমনকি রান্নার সিলিন্ডারে যাতে ঘাটতি না পরে সেই কারণে আগে থেকে গ্যাস বুক করছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে রান্নার গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে ৩০ শতাংশ। এমনটা জানিয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশনের এক আধিকারিক।

তিনি জানিয়েছেন গত এক সপ্তাহের মধ্যে এই চাহিদা বেড়েছে ৩০ শতাংশ। তার পাশাপাশি এও জানিয়েছেন এই মুহূর্তে রাজ্যে যথেষ্ট পরিমান গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে। তাই যাতে অহেতুক আতঙ্কিত হয়ে আগে থেকে বুক না করেন সেই বিষয়ে অনুরোধ করেছেন তিনি। আগে যেখানে ২.৫ লক্ষ গ্যাস বুক হত এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.২৫ লক্ষ তে।

এই হারে গ্যাস বুকিং করা বন্ধ না হলে গ্যাস সরবরাহ করতে সমস্যা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া গ্যাস বুক করলে পেতে দেরি হচ্ছে বলে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন। বেশ কয়েক জায়গাতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে দোকান বন্ধ। আবার কথাও জানানো হচ্ছে ডেলিভারি করার লোক নেই। সব মিলিয়ে যথেষ্ট হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বেশী সমস্যার মধ্যে পরতে হচ্ছে মহিলা এবং বাড়ির বয়স্কদের। যারা নিজে গিয়ে গ্যাস আনার কথা ভেবেছিলেন তারাও পুলিশি টহলের কারণে বেরতে পারছেন না।

২১ দিনের লক ডাউনের মধ্যে দেশে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নতুন করে বেশ কিছু করোনা আক্রান্তের খবর সামনে এসেছে। যার জেরে দেশ জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১০০০ এরও বেশি। এছাড়া এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের আক্রমণে মারা গিয়েছেন ২৬ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।