কলকাতা: সরাসরি জিতলে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে৷ নতুবা বিদায় নিতে হবে গ্রুপ লিগ থেকেই৷ বাংলার কাছে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির শেষ গ্রুপ ম্যাচটা কার্যত নকআউটের আগে নকআউট৷  যুবরাজদের বিরুদ্ধে সেই ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম দিনেই বেহাল বাংলা৷ লাঞ্চে যাওয়ার আগে ৮৭ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে ধুঁকছে বঙ্গবিগ্রেড৷ বাংলার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করে ক্রিজে রয়েছেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়৷ ২১ রান করে সুদীপকে সংগত দিচ্ছেন শ্রীবৎস গোস্বামী৷ ঘরের মাঠে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করছে বাংলা৷

আরও পড়ুন- যুবরাজদের বিরুদ্ধে সাত পয়েন্টের ভাবনা বাংলার

ইনিংসের শুরুতেই অভিষেক রমনকে ০ রানে সাজঘরে ফেরান মনপ্রীত গনি৷ স্কোরবার্ডে ২১ রান ওঠার মাঝেই দুই উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা৷ অভিষেকের পর ব্যাক্তিগত ৭ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন অভিমন্যু ঈশ্বরণ৷

দিল্লির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে বাংলাকে একার কাঁধে টেনেছিলেন বঙ্গক্রিকেেটের ‘অভিমন্যু’৷ এদিন অবশ্য গনির চক্রব্যুহে উইকেট দিয়ে আসেন শেষ ম্যাচে ১৮৩* হাঁকানো ব্যাটসম্যান৷ অধিনায়ক মনোজ ফেরেন ব্যাক্তিগত ৪ রান করে৷ অনুষ্টুপ ১৫ ও ঋত্বিক ০ রানে আউট হন৷

আরও পড়ুন- পারফর্ম্যান্স নেই বলেই কোচদের চেয়ার ছাড়তে হয়: শংকরলাল

 

পঞ্জাবের হয়ে বাংলার দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে লাঞ্চের আগে ঝুলিতে দুই উইকেট শিকার মনপ্রীত গনির৷ বিনয় চৌধুরি দুটি ও মায়াঙ্ক মার্কান্ডে একটি উইকেট পেয়েছেন৷ বিপক্ষ শিবিরে যেখানে শুভমন গিল, যুবরাজের মতো ব্যাটসম্যান রয়েছে, সেখানে লাঞ্চের আগে স্কোরবার্ডে ৮৭ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপের সাগরে বাংলা৷

আরও পড়ুন- মেসিকে টপকে রোনাল্ডোকে তাড়া সুনীল ছেত্রীর

ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে মনোজ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর মতে সাত পয়েন্টের ম্যাচ হতে চলেছে এটা৷ সঙ্গে এও জানান যে, সাত পয়েন্ট তুলে নকআউটে যাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী৷ ম্যাচে যদিও লাঞ্চের আগে পঞ্জাব বোলিংয়ের সামনে এদিন প্রবলভাবে কোণঠাসা বঙ্গব্রিগেড৷